চাঁদপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালন

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর জেলা প্রশাসন সমাজসেবা অধিদপ্তর ও প্রবীণ হিতৈষী সংঘের চাঁদপুর জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে ৩২ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালন করা হয়েছে।

গতকাল ১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৯ টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখ থেকে দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রঙ্গন থেকে র্যালি বের হয়ে আঞ্চলিক সড়ক ঘুরে পুনঃ রায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

এবারের প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য “পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা ” র্যালি শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন ককবষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আই সিটি বশির আহমেদ।

সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সহ সভাপতি সফিউল্যাহ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সমাজ সেবা উপ পরিচালক রজত শুভ্র সকার সঞ্চালনায় শুরুতে কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন সানা উল্যা খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি বশির আহমেদ বলেন, আমরা এক দিন প্রবীন হবো। তাই প্রবীণদের দুঃখ বুঝতে হবে। উপজেলা পর্যায় প্রবীণ সংঘ করার কথা বলা হয়েছে।

প্রবীণ সংঘ পিরোজপুরে ইউনিয়নে আছে। তরুনরা যেন প্রবীণদের যেন যথাযথ সম্মান দয়া হয়। জাপানে সবচেয় বেশি প্রবীণ আছে। সেখানে আনন্দঘন পরিবেশে প্রবীণরা পালন করে।আজকে আমরা প্রবীণ দিবসে দেখেছি নবীনরা ও যুক্ত হয়েছে। আমি চাইবো নবীনরা যেন সব সময় প্রবীণদের কে শ্রদ্ধা আর সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে।

এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ১৯৯১ সার থেকে এ দিবস পালন করা হচ্ছে। প্রবীণরা এখন বিভিন্ন রোগে ভোগছে। প্রবীণ বান্ধব সরকার। আমরা সরকারের কাছে প্রবীণদের জন্য আবেদন করবো। যাতে সরকার প্রবীনদের জন্য ভাল কিছু করে। প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ১৯৬০ সাল থেকে কাজ করে আসছে। বিশ্বে এখন প্রবীণদের সংখ্যা প্রায় ৮১ কোটি।

যারা স্বাধীনতার জন্য লাল সবুজ পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল তারা ও প্রবীণের দিকে যাচ্ছে। আমাদের প্রবীণদের জন্য কোনো কিছু নেই। প্রবীণদের জন্য ট্রেনে ও বাসে যেন কোঠা হিসেবে সিট বরাদ্দ রাখা হয়। ভারতের মতো দেশে সিটিজেনশীপ রয়েছে সব কিছুতে কিন্তু আমাদেরর দেশে তা নেই। ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ ১ অক্টোবর কে আন্তজাতি প্রবীণ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

পিতা মাতার ভর পোষন আইনের বিষয়ে যদি কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনারা মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সন্তানদের কে কিছু লিখে দিবেন না। ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ প্রবীণদের জন্য একটি নীতী

স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক,সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক ফিরোজ আহমেদ খান,সর্দার আবুল বাশার,সুপারের কার্যালয়ের ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম ।

একই রকম খবর