চাঁদপুরে ওচমান গণি পাটওয়ারী পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী। গত নির্বাচনের মতো এবারো তার প্রতীক ছিল মোবাইল ফোন।

গতকাল ১৭ অক্টোবর সোমবার ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি জাকির হোসেন প্রধানীয়া (আনারস) কে ২১২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।

আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী মোবাইল ফোন প্রতীকে মোট ভোট পেয়েছেন ৭২২ এবং জাকির হোসেন প্রধানীয়া আনারস প্রতীকে মোট ভোট পেয়েছেন ৫২২। বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য জানান গেছে।পরবর্তীতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কামরুল হাসান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষনা করেছেন ।

চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ভিত্তিক কেন্দ্রের ফলাফল : চাঁদপুর সদরে মোবাইল ফোন ১৬৩, আনারস ৪০। শাহরাস্তিতে মোবাইল ফোন ৬৭, আনারস ৮৩। মতলব দক্ষিণে মোবাইল ফোন ৫২, আনারস ৩২। মতলব উত্তরে মোবাইল ফোন ১০০, আনারস ৮০। ফরিদগঞ্জে মোবাইল ফোন ১১৪, আনারস ৯৭।

হাইমচরে মোবাইল ফোন ৬৬, আনারস ১৪। হাজীগঞ্জে মোবাইল ফোন ৭১, আনারস ১০৩। কচুয়ায় মোবাইল ফোন ৯৯, আনারস ৭১। এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে দেশের অন্যান্য জেলার ন্যায় চাঁদপুরও জেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়। সকাল ৯টা থেকে ইভিএমে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে। সামগ্রিক দিক বিচেচনায় এবারের চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন ছিলো শান্তিপূর্ণ।

জানা গেছে, চাঁদপুরে ২ চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ৩৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১২ জনসহ মোট ৫০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৮ উপজেলা, ৮৯টি ইউনিয়ন ও ৬টি পৌরসভার মোট ভোটার ছিলেন ১২৬৯ জন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে চাঁদপুর জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারী (মোবাইল) প্রতীক ও প্রবাসী জাকির হোসেন প্রধানিয়া (আনারস) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর সাধারণ সদস্য ৩৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১২ জনসহ ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

৮ উপজেলায় ১টি করে কেন্দ্র ও ২টি করে বুথে ভোটগ্রহণ হয়। নিরাপত্তায় স্বার্থে প্রতিটি কক্ষে ৩টি করে সিসি ক্যামেরা ছিলো। সকাল ১১টায় চাঁদপুর সদর উপজেলা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান ও চাঁদপুর পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ। তারা ভোটকেন্দ্রের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন। অপর দিকে ভোট কেন্দ্রগুলোর ভেতরের পরিবেশ নিরোত্তাপ থাকলেও বাইরের পি বেশ ছিলো বেশ উৎসব মুখর।

কেন্দ্রগুলোর বাইরে প্রার্থীদের সমর্থকরা ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষনে নানারকম শ্লোগান দিতে দেখা যায়। তবে উপয়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ছিলো লক্ষনীয়।

 

একই রকম খবর