চাঁদপুরে ডিজিটাল সেন্টারের প্রথম বর্ষপূর্তিতে শীর্ষক ক্যাম্পিং

গাজী মোঃ ইমাম হাসানঃচাঁদপুরে ডিজিটাল সেন্টারের ‘প্রথম বর্ষপূর্তি ও স্মার্ট বাংলাদেশ :২০৪১ সবার জন্য স্মার্ট সেবা শীর্ষক ক্যাম্পিং উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উক্ত সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান।

এসময় জেলা প্রশাসক বলেন ইউডিসির এক যুগ পূর্তিতে আপনাদের সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও প্ অভিনন্দন।নিজেকে তৈরী করার একটি প্লাটফর্ম হচ্ছে উদ্যোক্তা হওয়া।ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেছিলো একসময়। কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই। ডিজিটালের আওতায় এখন সবাই রয়েছেন। ডিজিটালের মাধ্যমে আমরা অনেক কাজ করে থাকি। এ গল্পকে যারা বাস্তবে রূপ নিতে সাহায্য করেছেন তারমধ্যে আপনারা একটি গ্রুপ।

উদ্দেশ্য ছিলো আপনারা দক্ষ হবেন। আমরা উন্নয়নের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমার প্রত্যাশা থাকবে এখান থেকে কাজ শিখে আরো অনেক বড় উদ্যোক্তা হবেন। সেই চেষ্টা থাকতে হবে। নিজের জায়গাটাকে নিজেই তৈরী করতে হবে।ইউডিসিতে আপনারা সেবার মনোভাবো নিয়ে কাজ করেন। তাহলেই সাধারণ জনগন তাদের সঠিক নাগরিক সেবা পাবে।

সরকারের এমন কোন দপ্তর নাই যেখানে ডিজিটাল সেবা নাই।পাশাপাশি এমন কোন মানুষ নাই যে যার হাতে ডিজিটাল ডিভাইস নাই বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কাজ এক সাথে করা যায়।প্রান্তিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যেক্তারা জনগনের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিতে পারে।তাই মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী আপনাদের ডিজিটাল সন্তান ঘোষনা দিয়েছে।

ডিসি উদ্যোক্তাদের প্রতি ইঙ্গত করে বলেন আপনারা মনে করেন এটি আপনারের জন্য স্থায়ী চাকুরি।কিন্তু এই ধারণা ঠিক না।এই সেন্টারে মূল উদ্দেশ্যে হলো প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যেক্তা সৃষ্টি করা।তারা যাতে এখান থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেদের তথ্য প্রযুক্তি নিভর্র ও দক্ষ করে তুলতে পারে।নতুন নতুন কর্ম ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।

তিনি আরোও বলেন নিজেকে তৈরি করার মাধ্যম হলো উদ্যোক্তা হওয়া।উদ্দেশ্যে ছিলো আপনারা দক্ষ হবেন।বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে।আপনারা এখান থেকে নিজেকে আরোও করে দক্ষ্য তুলতে হবে।পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য কিছু করবে হবে।পৃথিবীর সব কাজেই প্রতিবন্ধকতা থাকবে।এইসব প্রতিবন্ধকতকা মোকাবেলা করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে ও কাজ করতে হবে।আপনাদের বুজতে হবে কোন কাজটা আপনার।

নিজের অবস্থান নিজেই তৈরি করতে হবে।আত্মতৃপ্তি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।আমরা চাই আপনারা মানুষের সাথে থেকে কাজের মাধ্যমে মানুষের কল্যান করবেন।

জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেশমা খাতুনের সঞ্চালনায় আরোও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন,স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসাম্মদ রাশেদা আক্তার,পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ ইলিয়াস হোসেন,মহিলা বিয়ষক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাছিমা বেগম,ডিজিটাল সেবা সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ মাইনুদ্দিন,হালিমা আক্তার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ডিজিটাল সেন্টারের ১যুগ পূর্তি উপলক্ষে কেক কেটে উদযাপন করা হয়

 

একই রকম খবর