চাঁদপুরে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে যুবতীর ইসলাম গ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের পুরান বাজার পূর্ব জাফরাবাদ গ্রামে প্রীতি রাণী দাস (২৩) নামের এক যুবতী হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন।

১০ অক্টোবর সোমবার সকালে জাফরাবাদ মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ উল্ল্যাহর মাধ্যমে তিনি পবিত্র কালেমা পাঠ করে ইসলামী নিয়ম নীতি অনুযায়ী ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহন করার পর নতুন তার নাম রাখা হয়েছে খাদিজা আক্তার।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান প্রীতি রানী দাস নামের এই যুবতী গত দুই মাস ধরে চাঁদপুর পুরান বাজার পূর্ব জাফরাবাদ এলাকায় তার স্বামীসহ চোকিদার বাড়িতে ঘরভাড়া থাকতেন। ওই ঘরের পাশে ছিলো একটি জামে মসজিদ এবং ওই বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে মহিলাদের তালিম করা হতো। মূলত মসজিদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সুরা, ক্বেরাত, জুমার দিনে ইমামের বয়ান এবং তালিমের কথা শুনে সে ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়। পরবর্তীতে এই ধর্মের প্রতি তার আগ্রহের কথা এলকার লোকজনকে জানালে গত সোমবার সকালে ইমাম ডেকে কালেম পড়ে তার স্বইচ্ছায় সে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর তার পূর্বের প্রীতি রাণী দাস নামের পরিবর্তে ইমলামিক নাম রাখা হয় মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার।

ইসলাম ধর্ম গ্রহন করা প্রীতি রাণী জানান, আমি এখানে এই মসজিদের পাশে দুই মাস ধরে ঘরভাড়া রয়েছি। আমার স্বামী ছিলেন, সেলুন ব্যবসায়ী। এই মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ দেখে, সুরা ক্বেরাত শুনে এবং মহিলাদের তালিম দেখে আমার মনে নানা প্রশ্ন জাগে। আমি মনে করে এই ইসলাম ধর্মই সঠিক। তাই আমি আমার স্বজ্ঞানে ও স্ব ইচ্ছায় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহন করি। আগে আমার নাম ছিলো প্রীতি রানী দাস।

ধর্ম গ্রহনের পর হুজুরে আমার নাম দিয়েছেন খাদিজা আক্তার। ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর আমি পর্দাশীল ভাবে চলার চেষ্টা করছি এবং আজ চার ওয়াক্ত নামাজ পড়ছি।এই নামাজ পড়ে আমার কাছে বেশ ভালো লাগছে। আমার মা বেঁচে নেই। তাই বর্তমানে আমি খালেক চোকিদারের বাড়ির
আব্দুল মমিন গাজীর ঘরে আশ্রয় নিয়েছি।

উল্লেখ্য : প্রীতি রাণী দাস নোয়াখালি জেলার সেনবাগ উপজেলার দক্ষিন মোহাম্মদপুর গ্রামের খোকন চন্দ্র দাসের মেয়ে। তার মাতা মৃত রিনা রাণী দাস। স্বামী উৎপল চন্দ্র দাস ছিলেন সেলুন ব্যবসায়ী।

একই রকম খবর