চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

আহম্মদ উল্যাহ : সদ্য অনুষ্ঠিত চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গতকাল ২৬ অক্টোবর বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান .মহিলা সদস্য ও সাধালন সদস্য পদে এই গেজেট প্রকাশিত হয়েছে ।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে,নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলহাজ্ব মো. ওচমান গনি পাটওয়ারী (মোবাইল) প্রতিকে ৭২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য হিসেবে নির্বাচিতরা হলেন-১নং ওয়ার্ড হাতির প্রতীকের মোঃ মনিরুজ্জামান মানিক, ২নং ওয়ার্ড তালা প্রতীকের মোঃ খুরশিদ আলম, ৩ নং ওয়ার্ড টিউবওয়েল প্রতীকের আলি আক্কাস, ৪ নং ওয়ার্ড হাতি প্রতীকের মোঃ আল আমিন ফরাজি, ৫ নং ওয়ার্ড তালা প্রতীকের সরকার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ৬ নং ওয়ার্ড টিউবওয়েল প্রতীকের তৌহিদুল ইসলাম খোকা, ৭ নং ওয়ার্ড টিউবওয়েল প্রতীকের বিল্লাল হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ড ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকের মোঃ জাকির হোসেন। সংরক্ষিত সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচিতরা হলেন -১, ২, ও ৩নম্বর ওয়ার্ডে দোয়াত কলম প্রতীকে আয়েশা রহমান লিলি, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দোয়াত কলম প্রতীকে তাসলিমা আক্তার আখি, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে দোয়াত দোয়ার কলম প্রতীকে জান্নাতুল ফেরদাউস।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে,গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ৩০ দিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এক্ষেত্রে যে জেলার গেজেট যেদিন প্রকাশ হবে, সেদিন থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলার সময় গণনা শুরু হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব নির্বাচনে প্রতিদ্ব›দ্বী সকল প্রার্থীকে জমা দিতে হবে।

জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান প্রার্থী ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে সর্বোচ্চ সাড়ে ৫ লাখ টাকা, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদপ্রার্থী সর্বোচ্চ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন। এর চেয়ে বেশি ব্যয় করলে কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ‘বেআইনি আচরণ’ করেছেন বলে দোষী সাব্যস্ত হবেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ৭০ এর (২) উপবিধি অনুযায়ী, বেআইনি আচরণকারীকে ন্যূনতম ছয় মাস ও সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদÐ বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়দÐে দÐিত করার বিধান রয়েছে।

আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় দাখিল করবেন তার মনোনীত নির্বাচনী এজেন্ট। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ফরম পূরণ করে হিসাব দাখিল করতে হবে। যা ইসি ওয়েবসাইট বা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেই পাওয়া যায়।

ফরমের সঙ্গে প্রতিদিনের ব্যয়ের সকল বিল, রশিদ ও বিবরণী জমা দিতে হবে। ব্যয়ের অর্থ নির্বাচনের জন্য তফসিলি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্ট থেকে উত্তোলিত হতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের বিবরণীর কপিও সংগ্রহ করবেন প্রার্থী বা তার এজেন্ট। এছাড়া অপরিশোধিত ব্যয়ের বিবরণী এবং সকল ব্যয়ের জন্য অর্থপ্রাপ্তির উৎসের একটি বিবরণীও জমা দিতে হবে।

একই রকম খবর