চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলায় সদস্য পদে প্রার্থী মানিক

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাপক জনপ্রিয় , জনবান্ধব সাবেক সফল রাষ্ট্রীয় ভাবে পুরস্কারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চাঁদপুর সদর থেকে সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে ইচ্ছা পোষন করেছেন ।

১৮আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকাকে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন ।

দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সাথে আলাপকালে সাবেক সফল রাষ্ট্রীয় ভাবে পুরস্কারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক জানান, আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা কালীন জনগণের সেবা করার চেষ্টা করছি। আমি জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করতে চাই ।

সেজন্যই জেলা পরিষদ নির্বাচনে চাঁদপুর সদর থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করতে চাই। আমি সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই । সদরের সকল জনপ্রতিনিধিনের আকুণ্ঠ সমর্থন চাই । আমি নির্বাচিত হলে দল ও মতের উর্ধ্বে থেকে কাজ করবো ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকা কালীন ইউনিয়নের উন্নয়ন, জনকল্যানে ও ইউনিয়নবাসীর ভাগ্যন্নয়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক হয়েছেন চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান। ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন তার জনকল্যান ও সামাজিক এসব কর্মকান্ড একদিকে যেমন ইউনিয়নবাসীর নিকট হয়েছেন ব্যাপক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান, অন্যদিকে জেলার প্রশাসনসহ দেশের অন্যান্য দপ্তরগুলো থেকেও কুড়িয়েছেন প্রসংশা। সব মিলিয়ে বাগিয়ে নিয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যানের সম্মানটুকু।

আরো খোঁজ নিয়ে জান যায়, মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বিগত নির্বাচনে মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়ে অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করেছেন। ইউনিয়ন থেকে মাদক, বাল্য বিয়ে, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে ইউনিয়নকে মুক্ত করেছেন। এজন্য তিনি এখন জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন করে সদর উপজেলার জনগনের সেবক হতে চান।

তিনি চেয়ারম্যান থাকা কালীন মৈশাদী ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে সমস্যাগুলো চিহৃত করে সমাধান করেছেন। তার মেয়াদে মধ্যে মৈশাদী ইউনিয়নকে শতভাগ স্যানিটেশন, শতভাগ বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি মৈশাদী ইউনিয়নকে জেলার মধ্যে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলেছেন। সে জন্য ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগীতাও পেয়েছেন। এখনও রয়েছেন মৈশাদী ইউনিয়নে জনগণের অন্তরে।

উল্লেখ্য, মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন বিগত সময়ে সুনামের সাথে ইউনিয়ন বাসীর কল্যানে কাজ করেছেন। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপির সহযোগিতায় মৈশাদী ইউপিকে উন্নয়নের রোল মডেল তৈরি করেছেন। তিনি অসহায় মানুষের পাশে থেকে সবসময় সহায়তা করেছেন। ইউনিয়নের সকলস্থানে উন্নয়নের ছোয়া লাগিয়েছেন। বিধাবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন সহকারি সহায়তা ইউনিয়নের সকলের নিকট পৌছানোর জন্য সর্বদা চেষ্টা করেছেন। তার আমলে মৈশাদী ইউনিয়নের সকল সেবা অনলাইনে সহজেই পেয়েছে জনগন।

 

একই রকম খবর