চাঁদপুর সার্কিট হাউজে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে কর্মশালা

গাজী মোঃ ইমাম হাসানঃ চাঁদপুরে পৌর মেয়র ও ইউপি চেয়ারম্যানগণের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণ, জনগনের দোরগোড়ায় ই-সেবা পৌছানো নিশ্চিত করণ এবং স্ব-কর্মস্থলে সেবার মান উন্নয়ন, ইউআইএসসি উদ্যোক্তার কর্মপরিধি ও সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করণের এই লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টায় চাঁদপুর সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব ড.দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

তিনি বলেন আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এতটা সহজ ছিলো না।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই আমরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছি।এক সময় দেশের ১ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতো।কিন্তু বর্তমানে সবাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এগিয়ে যাচ্ছে। আজকে দেশের তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতি তার সব কিছুই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কল্যানে।

তিনি আরোও বলেন দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের জনগনের বহুমাত্রিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণের জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেই সুবাদে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার একটি অন্যতম সেবা প্রদানের মাধ্যম যার দ্বারা অনেক বেকার লোকদের কর্মসংস্থান হয়েছে।দেশ ব্যাপী উদ্যোকতারা মেধা ও যোগ্যতার প্রয়োগ করতে পারছে। বর্তমানে দেশের১৮ কোটি মোবাইলের সিম রয়েছে।যার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যেদেই ইন্টারনেট সেবা পৌছে দেওয়া সম্ভব।দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে দ্রুত সেবা পৌছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার।পৌর মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান সহ জনপ্রতিনিধিরা ও এই মহতী কাজে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন,সিস্টেমের মধ্যে থেকে জনগনের সেবা দিতে হবে।জনপ্রতিনিধিগণ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।এ জন্য তাদের অনেক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। ন্যায় বিচারের জন্য জনপ্রতিনিধিদের সততা ও ন্যায়ের মধ্য থাকতে হবে।

বর্তমানে দেশে বিদুৎ সর্বস্তরে পৌঁছে গেছে। বিদ্যুতের কল্যাণে দেশে ইন্টারনেটসহ ডিজিটাল সেবা অতি সহজ হয়েছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপান্তর করার জন্য সব সময় কাজ করছে।গ্রাম হবে শহর তা এখন বাস্তবে রুপান্তর হয়েছে।

তিনি আরোও বলেন গত একযুগে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে সেবা অনেক এগিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসেবে তিন নাম্বারে রয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার।কারণ সমস্ত সার্ভিসগুলো এক স্থান থেকে দিতে পারে।সে জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের বিকল্প নেই।(ইউআইএসসি)নারী উদ্যােক্তা সৃষ্টিতে ও ভূমিকা রাখছে। দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বিশেষ অবদান রাখছে।

সহকারী কমিশনার রেশমা খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বশির আহমেদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোঃ মেশকাতুল ইসলাম, ফরিদগঞ্জ পৌর মেয়র বীরমুক্তিযুদ্ধা আবুল খায়েল পাটওয়ারী, মতলব উত্তর পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন লিটন।

বাগাদী ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লাল, রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী হযরত আলী বেপারী, আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, মৈশাদী ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম পাটোয়ারী, রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন পাটোয়ারী, নীলকমল ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ খলিল মাতাব্বরসহ জেলা বিভিন্ন চেয়ারম্যানগন উপস্থিত ছিলেন।

একই রকম খবর