জেলা পরিষদ নির্বাচনে নারী সদস্য পদে প্রচারণায় এগিয়ে আয়েশা রহমান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী: জমে উঠেছে চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা।

জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রার্থীরা নিজ কর্মি-সমর্থকদের সাথে নিয়ে ছুটছেন ভোটার জনপ্রতিনিধিদের কাছে। চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড-১ এ প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন আয়েশা রহমান লিলি। নারীনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করা ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের এই সদস্যের স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, অভিঙ্গতা ও পরিচিতি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে অনেকটাই বেশি। ভোটার ও সংশ্লিষ্ঠদের অভিমত দোয়াত কলম প্রতিকে আয়েশা রহমান লিলির বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি।

চাঁদপুর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক আয়েশা রহমান লিলি। জেলা পরিষদের এই ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ লুৎফুর রহমান পাটোয়ারীর সহধর্মিনী খাদিজা রহমান। করোনায় তার মৃত্যুর পর বিগত জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ড থেকে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়ে স্বল্প সময় দায়িত্ব পালন করেছেন সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে।

জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে এই সময়ে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন।

ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য আয়েশা রহমান লিলির স্বামী বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মজিবুর রহমান ভূইয়া।

ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া মরহুম মজিবুর রহমান ভূইয়া চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আয়েশা রহমান লিলি ও মরহুম মজিবুর রহমান ভূইয়ার সন্তানেরাও জড়িয়ে আছেন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। তাদের বাড়ছেলে মাহতাব রাসেল ভূইয়া সাবেক জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

চাঁদপুর জেলা ও উপজেলার পাশ্ববর্তি এলাকাগুলোতে রয়েছে আয়েশা রহমান লিলি ও তার পরিবারের ব্যাপক পরিচিতি ও স্বচ্ছ ভাবমুর্তি। যা তার নির্বাচিত হওয়াকে অনেকটাই সহজ করে তুলেছে।

ভোটাররা জানান, এই ওয়ার্ডের সদস্য পদে লিলি আপা ছাড়াও আরো একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন। কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য, স্বচ্ছ ভাবমুর্তি, পরিচিত ও অভিঙ্গতায় তিনি এগিয়ে। জেলা পরিষদের এই ওয়ার্ডের জন্য আয়েশা রহমান লিলি সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।

সদর ওয়ার্ডের এক ভোটার বলেন, আমি নিজে একজন ভোটার, আমি লিলি আপার জন্য কাজ করছি, ভোটার জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। অন্যান্য ভোটারদের আহ্বান জানাবো এই ওয়ার্ডের উন্নয়নের স্বার্থে আপাকে বিজয়ী করার বিকল্প নেই।

আয়েশা রহমান লিলি এলাকার মানবসেবার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি এলাকায় দলীয় লোকজন ছাড়াও জনসাধারণ, শিক্ষক, ছাত্র ও সাধারণ মানুষসহ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এই প্রার্থী ইতি মধ্যেই তার নির্বাচিত এলাকার জনগনের নিকট প্রিয় ব্যাক্তি হয়ে ওঠেছে। অত্যন্ত নম্রভদ্র বিনয়ী ও সেবাকর্মী বান্ধব এই আওয়ামীলীগ নেত্রী। স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা জানান, তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র জন্য রয়েছে অফুরন্ত ভালোবাসা।

এ বিষয়ে আয়েশা রহমান লিলি বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য, একজন রাজনৈতিক কর্মি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সেবা করার শিক্ষা পেয়েছি। ভোটাররা আমাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।

আয়েশা রহমান লিলি আরো বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হতে পারলে আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো।

উল্লেখ্য: সদা হাস্যজ্জল এই উদীয়মান, সুশিক্ষিত, প্রার্থীকে এলাকাবাসি ও ভোটারা সদস্য হিসেবে দেখতে চায়। জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন সব ক্ষেত্রেই সম্ভব্য অপরাপর প্রার্থীর তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন আয়েশা রহমান লিলি। তার বড় শক্তি সম্মানিত ভোটার, এলাকার সাধারণ জনগণ ও সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ভালবাসা। দারিদ্র্য মুক্ত ও শিক্ষিত সমাজ গড়ার প্রত্যয়কে বাস্তবে রুপ দেয়ার লক্ষে পৌঁছে যাবেন তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে এমনটাই প্রত্যাশা সর্বস্তরের জনগণের।

একই রকম খবর