জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদরে সদস্য পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী: চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের মাঠে সরব সদর প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ প্রার্থীরা।

আজ ১৭ অক্টোবর সোমবার চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সদরে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যরা ভোট প্রদান করবেন। চাঁদপুর সদরে মোট ভোটার ২০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫৮ ও মহিলা ৪৮ জন।

চাঁদপুর জেলা পরিষদের ওয়ার্ড ৮টি। সব ওয়ার্ড থেকে টপ অব দি ওয়ার্ড হচ্ছে ১নং ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৫ জন। ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, জমা ও প্রতীক পেয়ে থাকলেও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ মুকবুল হোসেন মিজি ও ইকবাল হোসেন পলাশ পাটোয়ারী নির্বাচন থেকে সরে গিয়েছেন। তাই নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে প্রতিদন্ধিতা করবেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী আবুল বারাকাত লিজন পাটওয়ারী (ঘুড়ি),।

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক (হাতি), জাকির হোসেন হিরু ( বৈদ্যুতিক পাখা), মোঃ শাহ আলম খান (তালা),, মোঃ মাহবুবুর রহমান (উট পাখি),।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারা সাধারণ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ। তাই ভোটারদের মনোজয় করা খানিকটা কঠিন। সকলেই নিজেদের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এই ওয়ার্ডে মূল আলোচনায় রয়েছেন মাত্র তিনজন। এদের মধ্য ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনার রয়েছে।

এরা হলেন, চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে চাঁদপুর সদর মৈশাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক, চাঁদপুর শহর আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের সাধারণ সম্পাদক মরহুম লুৎফর রহমান পাটওয়ারীর জ্যেষ্ঠ সন্তান চাঁদপুর পৌর যুবলীগের সদস্য, আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী ও সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান।

১ নং ওয়ার্ডের অন্য প্রার্থীদের থেকে বেশ জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক। তিনি বিগত দিনে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে সদর উপজেলার ভোটার ও জনগনের কাছে বেশ পরিচিত, মার্জিত ও জনবান্ধন জনপ্রতিনিধি হিসাবে পরিচিতি অর্জন করেন। মৈশাদি ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নের রূপান্তরিত সহ ইউনিয়নবাসীর সেবায় সর্বাত্মক নিয়োজিত থাকায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। তিনি সব সময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন। মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সর্বদলীয় প্রতিটি নেতা কর্মীর কাছে প্রিয় ও আস্থা রাখতে স্বক্ষম হয়েছেন।

সদরের আরেক প্রার্থী সর্বজন শ্রদ্ধেয়, জেলা শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম লুৎফুর রহমান পাটওয়ারী ও জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সাবেক নারী সদস্য খোদেজা রহমানের সন্তান, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি’র একান্ত স্নেহধন্য, চাঁদপুর পৌর যুবলীগের সদস্য, সর্বস্তরের জনসাধারনের অত্যান্ত প্রিয় মানুষ, নম্র ও হাস্যোজ্জ্বল আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী।

চাঁদপুরের রাজনীতিতে আবুল বারাকাত লিজন পাটোয়ারী অন্যদের চেয়ে ভিন্ন এবং অনন্য। সদস্য পদে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় এগিয়ে আছেন তিনিও। তার নির্বাচনের বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের কাছে পেয়েছেন স্বতঃস্ফুর্ত সাড়া। সাধারণ মানুষের মধ্যে যে জনপ্রয়িতা রয়েছে তার বিজয়ী হওয়া প্রায় সুনিশ্চিত বলে মনে করছেন ভোটাররা।

তিনি এলাকার মানবসেবার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি এলাকায় দলীয় লোকজন ছাড়াও জনসাধারণ, শিক্ষক, ছাত্র ও সাধারণ মানুষসহ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এই প্রার্থী ইতি মধ্যেই তার নির্বাচিত এলাকার জনগনের নিকট প্রিয় ব্যাক্তি হয়ে ওঠেছে।

অত্যন্ত নম্রভদ্র বিনয়ী ও সেবাকর্মী বান্ধব এই যুবলীগ নেতা। নির্বাচনের জয়ের ব্যাপারে তিনিও আশাবাদী।

এই ওয়ার্ডের আরেকজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন মাহবুবুর রহমান, তিনি সাবেক ছাত্রনেতা,
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনিও ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও প্রচারদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন,

তিনি সাধ্য অনুযায়ী এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। এই প্রার্থী নির্বাচিত হলে সদর ওয়ার্ডটিকে মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনিও জনপ্রিয় এবং কর্মীবান্ধব নেতা। মাহাবুবুর রহমান ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলার অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। তাকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করে ভোটাররা নির্বাচিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এখানকার ভোটাররা এমন প্রার্থীকে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করতে চান, যিনি সৎ, ন্যায় ও নিষ্ঠাবান হবেন। যিনি সমস্যা সমাধান করে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবেন।

 

একই রকম খবর