দলীয় মনোনয়ন নিয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবো

স্টাফ রিপোর্টার :মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশকে লালন করে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত জেলার একটি পরিবারের নাম ভুইয়া পরিবার। শুধু তাই নয়, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই পরিবারের সদস্যদের রয়েছে অবদান ও সরাসরি অংশ গ্রহণ।

একেবারেই তৃনমুল থেকে ধীরে ধীরে উঠে আসা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভুইয়া। যিনি দ্বিতীয় বারের মতো চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে দেয়া তাঁর একান্ত আলাপচারিতা নিম্নে তুলে ধরা হলো –

জনাব অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভুইয়া বলেন, আমার পরিবারের মতো এ জেলায় এমন সাচ্চা আওয়ামীলীগ পরিবার খুঁজে পাওয়া দুস্কর। পরিবারের উওরসূরীদের পথ অনুসরণ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশকে লালন করে ছাত্র জীবন থেকে ছাএলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে এ দলের রাজনীতি করছি। তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালে ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াবস্হায় ছাএ লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হই।ঐ বছরই তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের রোষানলে পড়ে ডিটেনশনে জেল খাটতে হয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলা ছাএলীগের সাধারণ সম্পাদক হই পরের বছর ১৯৮৯ সালের ২৩ মে জেলা ছাত্র লীগের সন্মেলনে সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯১ সালের ২৭ নভেম্বর জেলা ছাত্র লীগের সন্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হই। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ১৯৯৪ সালে ও ২০০১ সালে জামাত বিএনপি সরকারের শাসনামলে জেল খাটতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ছাএ জীবন থেকে বিভিন্ন সময়ে কারাভোগ, বিভিন্ন মামলার আসামী অথ্যাৎ শত নির্যাত ও নিপীড়ন সহ্য করে এই দলের রাজনীতি করে আসছি। কোনো লোভ লালসাকে জীবনে প্রাধান্য দেইনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর আর্দশকে লালন করে আজো আছি আমৃত্য থাকবো।

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৭ সালে আইনজীবি হিসেবে চাঁদপুর বারে যোগদান করি। ২০১৭ সালে চাঁদপুর জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করে বিজয়ী হই।

আমাদের একমাত্র আস্হার ঠিকানা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় ছাত্র রাজনীতি সমাপ্তির পর দীর্ঘ ১ যুগ পর ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামীলীগের সন্মেলনে প্রথম বারের মতো সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই। একই ভাবে ২০১৯ সালে জেলা সন্মলনে আমাকে একই পদে নির্বাচিত করা হয়।

ছাত্র জীবন থেকে অদ্যাবধি জাতীয় সংসদ ও স্হানীয় সরকারের সকল নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করি।

তিনি বলেন, আমার দৃড় বিশ্বাস ও আস্থা ছাত্র জীবন থেকে অদ্যাবধি দলের প্রতি আমার শ্রম ত্যাগ ও বির্সজন সকল কিছু বিবেচনায় নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলের মনোনয়ন দিবেন এবং ইনশাআল্লাহ দলীয় মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়ে সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবো। আমি এ বিষয়ে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী, সর্মথক সর্বোপরি চাঁদপুর জেলাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

একই রকম খবর