ফরিদগঞ্জে প্রকৌশলী লাঞ্ছিতের ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড়

এস এম ইকবাল, ফরিদগঞ্জ : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সরকারী সড়ক কেটে বাড়ির ভাউন্ডারি দেওয়াল নির্মানের সময় উপজেলা প্রকৌশলী বাধাঁ দিলে স্থানীয় যুবকের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন। এ ঘটনা পত্রিকায় প্রকাশিত হলে উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আবরার আহমেদ ফরিদগঞ্জ থানায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

২২ আগস্ট সোমবার দুপুরে উপজেলার ৩নং সুবিদপুর (পুর্ব) ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সুবিদপুর গ্রামে সরকারী সড়ক কেটে ভাউন্ডারি দেওয়াল নির্মানের সময় উপজেলা প্রকৌশলী আবরার আহমেদ ও তার সহকর্মীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধাঁ প্রদান করেন। এসময় নুরুন্নবী বক্কু ও সালাউদ্দিন দুই জনে মিলে ওই কর্মকার্তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং প্রকৌশলী আবরার আহমেদ ও তার সহকর্মীকে মারতে তেড়ে আসে এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে। এক পর্যায়ে ওই কর্মকর্তার মোটর সাইকেলের চাবি নেওয়ার চেষ্টা করে এবং তাদের লাঞ্ছিত করে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আবরার আহমেদ জানান, সড়ক কেটে ভাউন্ডারি দেওয়াল নির্মান করতে দেখে আমি তাদের কাজ বন্ধ করার জন্য বলি, তারা আমার কথা না শুনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং এক পর্যায়ে আমাদের মারতে তেড়ে আসে ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। তিনি আরো জানান, এই ঘটনায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানায় তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

এ বিষয়ে নুরুন্নবী বক্কু ও সালাউদ্দিন জানান, আমরা ওনাদের চিনতে পারি নাই, আমাদের মাঝে ভুল বুঝাবুাঝি হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে আসছি। তাদের কাজ করা সঠিক নয়, সড়ক থেকে ৩ফুট দুরে দেওয়াল নির্মান করার কথা, তারা তা না মেনে কাজ করছে, এখন কাজ বন্ধ আছে।

এ বষিয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, উপজেলা প্রকৌশলীকে হেনস্থা করার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং আমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ বিয়য়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমুন নেছার কাছে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অফিসে গিয়ে না পেয়ে, একাধিক বার উনার মোবাইল ফোনে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

একই রকম খবর