ফরিদগঞ্জে বাদীর ওপর ফের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গৃহবধুসহ আহত-৩

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো: ফরিদগঞ্জে একটি মামলার তদন্ত রির্পোট আদালতে পাঠানোরপর বাদীর ওপর ফের সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে। ১৩ মে শুক্রবার সকালে উপজেলার ১৫ নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রকাশ্যে এ ভয়ানক হামলায় পূর্বের মামলার বাদী ও এলাকার নিরিহ বাসিন্দা শেখ ফরিদ মৃধা (৪০), ফয়েজ আহমেদ (৪৬) ও গৃহবধু ফাতেমা আক্তার (২২) গুরুতর আহত হয়েছে। আহদের স্থানীয়রা উদ্ধার করারপর পুলিশি হস্তক্ষেপ কামনা করলে চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ভুক্তভোগীদের।

জানাগেছে, উপজেলার ৩২০ হালে ১৬৫ রুস্তুমপুর মৌজার বেশ কয়েকটি দাগে ৪৮.৬২ শতক সম্পত্তি নিয়ে রুস্তুমপুর এলাকার দেলোয়ার হোসেন,লোকমান আমিন,মোশারফ হোসেন বাহার,মোজাম্মেল হোসেন ও নুরুল আমিন গংদের সাথে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

ওই সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে শেখ ফরিদ গংরা হামলার শিকার হয়ে হয়ে উল্লেখিত ৫জনকে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে থানায় জিডি (১২০৬) তারিখ ২৩-০৪-২০২২ ইং নথিবুক্ত আদালতে পাঠালে মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশকে তদন্ত রিপোর্ট প্রদানের দায়িত্ব দেয়া হয়।

পুলিশ পহেলা মে ওই মামলায় দেলোয়ার হোসেন ও লোকমান আমিনকে অভিযুক্ত করে বাকি ৩ অভিযুক্তকে বাদ দিয়ে আদালতে তদন্ত রির্পোট পাঠায়। তদন্ত রির্পোট যাওয়ারপর আবারো ১৩ মে শুক্রবার দেলোয়ার হোসেন,লোকমান আমিন,মোশারফ হোসেন বাহার,মোজাম্মেল হোসেন ও নুরুল আমিনগং দ্বারা শেখ ফরিদ মৃধার পরিবার হামলার শিকার হয়েছেন।

হামলার শিকার শেখ মৃধা জানান, অভিযুক্তরা আমাদের আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি,ডাকাতিসহ অজ্ঞাত মামলায় জড়ানো ও আমাদেরকে জীবনে খুন করার হুমকি দিয়ে আসছে। শুক্রবার সকালে আমাদের দুই ভাইকে আমাদের বাড়ীর পাশে রুস্তমপুর বাজারে পেয়ে দুথপা বেঁেধ খুন করার পরিকল্পনা করে। বাঁচারজন্য ডাকচিৎকার দিলে আমাদের ওপর দেলোয়ার হোসেন,লোকমান আমিন, মোজাম্মেল হোসেন বাবুল, হোসেন ফকির,সোহেল হাজী, মিজান হাজীরা আরো কয়েকজন মিলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের বেধড়ক মেরেছে। এসময় খবর পেয়ে আমাদের পরিবারের সদস্যরা বাচাঁতে এলে তাদেরও ওপরও হামলা করে করে তারা।

পরবর্তিতে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসলে পুলিশ পায়ের বাঁধ খুলে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। আমরা আদালতের কাছে বিচার চাই।বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।তবে নাম প্রকার না শর্তে স্থানীয়রা কয়েকজন জানান, দেলোয়ার হোসেন,লোকমান আমিন, মাজাম্মেল হোসেন বাবুল ও নুরুল আমিন গংরা অনেক প্রভাবশালী।

শেখ ফরিদগংরা শুধু মার খেয়েই যাবে, আদালত যদি আদালত যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে শেখ ফরিদদের পক্ষে তাদের সাথে পেরে উঠা সম্ভব না। আমরা চাই আদালত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করে শাস্তি নিশ্চিত করুক।বিষয়টি নিয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, ভিক্টিমরা থানায় আসারপর চিকিৎসা নিতে বলেছি, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই রকম খবর