ফরিদগঞ্জে শশুর শাশুড়ির কবরস্থানের দেওয়াল ভেঙ্গে দিল পুত্রবধূ !

স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদগঞ্জে মৃত শ্বশুর-শাশুড়ির কবরস্থানের দেওয়াল ভেঙ্গে দিল পুত্রবধূ! ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১ নং বালিথুবা ইউনিয়নের তরজিরান্তি গ্রামের খান বাড়িতে।

জানা যায়, মৃত লোকমান হোসেন জীবিত অবস্থায় নিজে একটি কবরস্থান নির্মাণ করেন। আর ছেলে ও মেয়েদেরকে তিনি তার সম্পত্তি পরিমাপ করে জমির অংশ সবাইকে বুঝিয়ে দেন। সে অনুযায়ী সন্তানেরা দীর্ঘদিন যার যার অংশ ভোগদখল করে আসছেন ।

গত ১১ বছর পূর্বে লোকমান হোসেনের স্ত্রী মারা যান এবং গত ৩ সপ্তাহ আগে লোকমান হোসেনও মারা যান। তাদেরকে সেই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কিন্তু একপুত্রবধূ সায়মা শশুরের মৃত্যুর ১৭দিনের মধ্যেই কবরস্থানের দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলেন। এতে মৃত বাবা-মায়ের কবরস্থান রক্ষার্থে অন্য ভাইয়েরা মিলে বাধা প্রদান করেন। এই ঘটনার বিষয়ে আবুল হোসেন খান, হারুন, গোলাপ খান বলেন, আমাদের ছোট ভাই জামাল খানের স্ত্রী সায়মা বেগম আমাদের বাবা-মায়ের কবরস্থানের দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলেছে ।

সে কাউকে তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছেই বাবা-মায়ের কবরস্থানের দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। কবরস্থানের দেওয়াল ভাঙ্গার বিষয়টি আমরা ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ এসে মীমাংসার স্বার্থে আমাদের উভয়কেই পারিবারিকভাবে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেন।

এছাড়াও অভিযুক্ত সাইমাকে সাবধান করে দিয়ে যান যে, কবরস্থানের দেওয়াল যাতে আর না ভাঙ্গা হয়। এই ঘটনায় ওই এলাকায় বেশ চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে । এলাকাবাসী জানান শ্বশুর-শাশুড়ির কবরস্থানে দেওয়াল ভাঙ্গার ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক এবং এধরনের অপরাধের বিচার হওয়া উচিত।

এঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত পুত্রবধু সায়মা বেগম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কবরস্থানের ভিতরে জায়গা পাব তাই ভেঙ্গেছি। আর আমি কোন বক্তব্য দিতে পারবো না।

এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার সহকারী উপ পরিদর্শক মোঃ নাইম হোসেন জানান, আমরা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার পরামর্শ দিয়ে এসেছি। যাতে করে আর কবরস্থানের দেওয়াল না ভাঙ্গে এজন্য সায়মা বেগমকে সাবধান করে এসেছি।

একই রকম খবর