বিজয়া দশমীর মাধ্যমে চাঁদপুরে দেবী দূর্গার বিসর্জন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী: বেদ মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছিল গত ১ অক্টোবর থেকে। ৫ দিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গোৎসব গতকাল বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে।

গতকাল বুধবার সকালে দেবী দূর্গার দশমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল থেকে ভক্তরা দশমী পূজায় মিলিত হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের ঘরে ঘরে একেবারে ছোট মাছ পুটি দিয়ে দশমী যাত্রা করা হয়।শুধু তাই নয় ঘরে ঘরে ভাল ভাল রান্নার ও আয়োজন করা হয়।দুপুরের পর থেকে সনাতনী নারীরা দেবী দূর্গা মায়ের চরনে তেল সিঁদুর দিতে ব্যস্হ সময় পার করে। মায়ের পাশাপাশি নিজেরা ও তেলে সিঁদুর মিশ্রন করে একে অপরকে রাঙ্গিয়ে তুলে। গ্রামাঞ্চলের মণ্ডপ গুলোতে দেবী দূর্গাকে বিসর্জন দেয়ার পূর্বে পুরুষরা কাঁদা মাটির খেলায় মেতে উঠে। এমন দৃশ্য চোখে পরে চাঁদপুর শহরের রাম কৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনে।

এ খেলা শেষে আশ্রমের পুকুরেই দেবী দূর্গাকে বিসর্জন দেয়া হয়। শহরের বেশ কয়েকটি মণ্ডপের প্রতিমা বিকালের পর ট্রাক ও ভ্যান যোগে আনন্দ শোভা যাত্রা বের করে শহর প্রদক্ষিন করে সন্ধ্যায় চৌধুরী ঘাট এলাকা দিয়ে ডাকাতিয়া নদীতে মা দেবী দূর্গাকে এক বছরের জন্য বিসর্জনের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাঁদপুর সদর সার্কেল আসিফ মহিউদ্দীন, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল রশিদ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়,সাধারন সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সাহা, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার,

সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ রনজিত রায় চৌধুরী, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর,জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুমন সরকার জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজন চন্দ্র দে।

একই রকম খবর