ভাসমান হকারদের দখলে চাঁদপুরের বঙ্গবন্ধু পর্যটন কেন্দ্র

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুরের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র বড়স্টেশন মোলহেড। চাঁদপুরসহ আশপাশের জেলার ভ্রমণপিপাসু মানুষ নিরিবিলি পরিবেশে পরিবার-পরিজন নিয়ে একান্ত কিছু সময় কাটাতে এখানে আসেন। পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া এই তিন নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসে মানুষ। কিন্তু শহরের এই একমাত্র পর্যটন কেন্দ্রটি আবারো অস্থায়ী কিছু ভ্রাম্যমাণ দোকান আর হকাররা দখল করে নিয়েছে। এতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা।

দিনে দিনে এ স্থানটি চলে গেছে ভাসমান ব্যবসায়ীদের দখলে। পসরার বিস্তৃতি ঘটেছে একেবারে নদীর তীর পর্যন্ত। হাঁটা বা বসার স্থান সংকুচিত হতে হতে নিঃশেষ প্রায়। চারপাশে সাজানো দোকানের সামিয়ানার ভিড়ে নদীর বাতাসও যেন ঘুরে চলে যায় অন্য কোথাও।

এ অবস্থা যদি স্বাভাবিক না হয় তাহলে ভাসমান হকারদের দখলের থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নির্মিত বঙ্গবন্ধু পর্যটন কেন্দ্র অচিরেই সৌন্দর্য হারাবে।

১ অক্টোবর শনিবার বড়স্টেশন মোলহেডে গিয়ে দেখা যায় ভিতরে ঢুকার প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে নদীর পাড় ও তার দুপাশে চটপটি-ফুসকা, চায়ের দোকান, খেলনার দোকান ও ভ্যানগাড়ির হকাররা দখল করে রেখেছে। সারাদিন হাঁটাহাঁটি করে ক্লান্ত হলে সেখানে অবস্থিত সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য রাখা বসার স্থানেই এখন হকারদের দখলে। এতে করে সাধারণ দর্শনার্থীদের বসা কিংবা হাটার যায়গাও থাকে না।

জানা যায়, ভ্রমণপিপাসু মানুষদের স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ নিশ্চিত করতে চাঁদপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিসের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান এসে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির মধ্যে হঠাৎ করে বিশাল যায়গা জুড়ে একটি চক্র বঙ্গবন্ধু পর্যটনকেন্দ্রে অস্থায়ীভাবে শতাধিক দোকান দখল করে রেখেছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, দর্শনার্থীদের জন্য বড়স্টেশন মোলহেড উন্মুক্ত। কিন্তু হকারদের অবস্থান নিয়ে বিশেষ কিছু বলা যাচ্ছে না। অচিরেই আমি এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে বসানো হবে।

একই রকম খবর