মৈশাদীর ২নং ওয়ার্ডে ৪টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ !

স্টাফ রিপোটার : চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ৪টি পরিবারের যাতায়েতের পথ বন্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি বরাদ্ধ দিয়ে ইতিমধ্যে রাস্তাটি পাঁকা করা হলে ও একটি পরিবার উদ্দেশ্য মূলক ভাবে রাস্তাটি বন্ধ করে কয়েকটি পরিবারকে যাতায়েতের আবদ্ধ করেছে।

এনিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরুপায় হয়ে এ নিয়ে চাঁদপুর আদালতে মামলা ও করা হয়েছে।

জানা য়ায় মৈশাদীর ২নং ওয়ার্ডের নাজির আহমেদ ও দুলাল হোসেনসহ ৪টি পরিবারের যাতায়েতের পথটি বন্ধ করে দিয়েছে ২নং ওয়ার্ডের মৃত আবুল খায়ের মৃধার ছেলে শাহেদ মৃধা (৫৫), মৃত ইদ্রিস আলী মৃধার ছেলে জাকির মৃধা (৫০), মিজান মৃধা (৫৫), শাহেদ মৃধার ছেলে মাহবুব মৃধা (২৮)। তার জোরপূর্বক দীর্ঘ কয়েক যুগের পথটি অবরুদ্ধ করে রেখে ৪টি পরিবারকে বাড়ি থেকে নামার পথটি বন্ধ করে বেড়া দিয়ে রেখেছে। এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ পথটি পুরনো পথ বলে সকলে ব্যবহার করে আসছে। হঠৎ করে এ রাস্তাটি অবরুদ্ধ করার কারনকি এনিয়ে এলাকার সচেতন মহলের মাঝে নানাহ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাস্তাটি প্রাচীর নির্মান করায় বর্তমানে নাজির আহমেদের বাড়ির নারী পুরুষ, শিশু কিশোর বয়বৃদ্ধা অতিথি আসা-যাওয়া করতে পারছেনা বলে জানা গেছে। এমনকি পাশেই আহকামিনেচা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের বর্তমানে চরম দুর্র্ভোগে পড়তে হয়েছে।

এ ঘটনাটি মানবাধিকার লংগন করছে বলে মানবাধিকানের কর্মীরা জানিয়েছে, সরকার যেখানে সকল ধরনের যাতায়েতের পথ বন্ধ করা যাবেনা, পথ বন্ধকরা বেআইনি বলে ঘোষনা দিয়েছে, সেখানে কেমন করে তারা এতগুলো পরিবারকে আবদ্ধ করে রাখার চেষ্টায় ইতিমধ্যে রাস্তাটিতে বেড়া ও দেওয়া হয়েছে। কার সহযোগীতায় এ জঘন্যতম কাজটি তারা করছে এমন প্রশ্ন সকলের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। এটা নজির বিহীন ঘটনা বলে এলাকাবাসী মনে করছে। বর্তমানে বাড়ি থেকে নামার পথটি বন্ধ করে রাখার কারনে ঘর থেকে নেমে এদিক সেদিক আসা-যাওয়া করতে ৪টি পরিবারের মারাত্নক সমস্যার সমুক্ষিন হতে হচ্ছে।

এলাকার সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করে এমন করা সঠিক হয়নি বলে পথচারীরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে রাস্তাটি উম্মুক্ত করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রশাসনের হন্তক্ষেপ কামনা করছে। এ নিয়ে অভিযুক্ত পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

একই রকম খবর