শিক্ষিকা নাজমা আক্তারের ৩ সন্তানের লেখাপড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট ঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষিকা মরহুম নাজমা আক্তার গত ২১ নভেম্বর চাঁদপুর থেকে সিএনজি যোগে নিজ বিদ্যালয় যাওয়ার পথে ঘোষেরহাট এলাকায় বোগদাদ বাস (যার নং-ঢাকা মেট্রো-ব ১৪৯৭৬০) এর চাপায় নিহত হওয়ায় তার ৩সন্তানের লেখাপড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।কারন কয়েক বছর আগে সহকারি প্রধান শিক্ষিকা মরহুম নাজমা আক্তারের স্বামী ফারুকুল ইসলাম মারা গেছে ।যার কারণে তিন সন্তান এখন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে ।

গতকাল ২৩নভেম্বর (বুধবার) বোগদাদ বাস চাপায় নিহত শিক্ষিকা নাজমা আক্তারের বড় মেয়ে ফারহানা ইসলাম কান্নাজড়িত ভাবে দৈনিক চাঁদপুর খবরকে বলেন, আমার মা ছিলেন আমাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমার মা নিহত হওয়ায় আমাদের ৩ভাই বোনের পড়ালেখা খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে আমাদের পড়্ ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আমরা আমাদের পড়ালেখা চালানোর জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করছি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষিকা মরহুম নাজমা আক্তার গত ২১ নভেম্বর নিহত হয়। মরহুমার স্বামী ফারুকুল ইসলাম গত ২০১০ইং সালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি ২মেয়ে ও ১ ছেলে রেখে গেছেন। তাদের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন তাদের মা। মাকে হারিয়ে তাদের পড়ালেখা চালানো সম্ভব হচ্ছেনা।

মরহুমার বড় মেয়ে আরো জানায়, আমাদের মা নিহত হওয়ায় আমাদের পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আমরা ২বোন ১ভাই। আমার ছোট বোন ফাহমিদা ইসলাম ময়মনসিংহ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে তৃতীয়বর্ষে অধ্যয়নরত। ছোট ভাই মো: নাঈমুল ইসলাম ঢাকা দারুসসালাম মাদরাসায় নবম শ্রেনিতে অধ্যয়নরত। এখন আমার মা নিহত হওয়ায় আমার ভাই বোনের পড়ালেখার খরচ বহন করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা আমাদের পড়ালেখার খরচ বহন করার জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করছি।

একই রকম খবর