শেষ মুহুর্তে চেয়ারম্যান পদে জমে উঠেছে দুই প্রার্থীর ভোটের লড়াই

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ভোটের হিসাব- নিকাশ।

তবে আইনী জটিলতায় ইতিপৃবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ইউসুফ গাজীর চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন বাতিল করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরবর্তিতে আপীল করা হলেও শেষ পযন্ত তার প্রার্থীতা বৈধতা পায়নি ।

আগামী ১৭ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে ঘাম জরাচ্ছেন।

একজন হলেন কর্মীবান্ধব নেতা, মানবিক জনপ্রতিনিধি এবং গণমানুষের প্রিয়জন জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, প্রশাসক এবং চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী।
ও অপরজন হলেন চেয়ারম্যান প্রাথী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী (প্রবাসী) জাকির হোসেন প্রধানীয়া।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বর্তমানে ভোটের মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দুজনেই। তারা দুইজনেই নিজেদের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তবে এদের মধ্যে প্রচার প্রচারণা ও আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী।

এই প্রার্থী দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করায় জনপ্রতিনিধিদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও কচুয়ার এমপি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রকাশ্যে আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারীকে সমথন জানিয়েছেন ।

পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের সমর্থন নিয়ে গত ২০১৬ সালের নির্বাচনেও তিনি স্বতন্ত্রভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন ।বিগতদিনে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জেলা পরিষদের আওতাধীন ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে চাঁদপুর জেলা পরিষদ জেলার গণমানুষের আস্থার অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছিলো।

তিনি একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বকালিন সময়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদকে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও অন্যতম সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন প্রধানীয়াও ইতিমধ্যে প্রতীক পাওয়ার পর থেকে প্রতিটি ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন এবং দোয়া প্রার্থনা করছেন। প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় ভোরটারদের কাছে ছুঁটে বেড়াচ্ছেন । দিচ্ছেন নির্বাচিত হতে পারলে সচ্ছতার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি।তিনি বিজয়ী হলে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে জেলা পরিষদ এর প্রাপ্ত বরাদ্দ সুষম বণ্টন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জাকির হোসেন প্রধানীয়া ভোটারদের সাড়া দেখে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।

তিনি ভোটার ও সাধারন জনগন সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এমন পরিস্থিতিতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে কে বিজয়ী হবেন তা নিয়েই চলছে নানা বিশ্লেষণ।

এই নির্বাচনে যদিও শুধু জনপ্রতিনিধিরাই ভোটার, তবু জেলার ৮টি উপজেলা চলছে ভোটের আনন্দ। জেলার ৮ উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা মোট ১ হাজার ২শ’ ৬০ জনের সমর্থন পাওয়ার লক্ষ্যে চলছে জনপ্রতিনিধিদের মন জয় করা বক্তব্য।

১৭ অক্টোবর নির্দলীয় এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

একই রকম খবর