সদস্য পদে জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী: আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে সাধারণ সদস্য পদে ( চাঁদপুর সদর) ১নং ওয়ার্ড থেকে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

প্রতীক সম্বলিত লিফলেট হাতে প্রার্থীরা ছুটছেন রাত দিন। বিরামহীন ঠিকটাক চলছে তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। প্রতিদিনই দফায় দফায় প্রার্থীদের পক্ষে চলছে ভোট প্রার্থনা। প্রার্থী নিজে কিংবা তার স্বপক্ষে লোকজন রাত দিন যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। তুলে ধরছেন নিজ পছন্দের প্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা।

১ নং ওয়ার্ডের অন্য প্রার্থীদের থেকে বেশ জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক। তিনি বিগত দিনে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে সদর উপজেলার ভোটার ও জনগনের কাছে বেশ পরিচিত, মার্জিত ও জনবান্ধন জনপ্রতিনিধি হিসাবে পরিচিতি অর্জন করেন।

মৈশাদি ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নের রূপান্তরিত সহ ইউনিয়নবাসীর সেবায় সর্বাত্মক নিয়োজিত থাকায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়।

তিনি সব সময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন। আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই জনসমর্থন- প্রসংশায় ভাসছেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক। এমটাই জানিয়েছেন চাঁদপুর সদরের জন প্রতিনিধিরা।

বিশেষ করে তরুণদের আইকন হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক ইতিমধ্যেই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে মৈশাদী ইউনিয়নের স্বপ্ন সারথি একমাত্র তিনিই। পাশাপাশি সর্বদলীয় প্রতিটি নেতা কর্মীর কাছে প্রিয় ও আস্থা রাখতে স্বক্ষম হয়েছেন তিনি। সকলের সুখ দুঃখে সব সময়েই পাশে থাকেন। এমন একজন সুশিক্ষিত নেতাকে চাঁদপুর সদরের গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে নির্বাচিত করলে উক্ত ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনগন ভাল থাকবে এমনটাই জানান ভোটার ও একাধিক সচেতন ব্যক্তি।

তিনি এবার জনসর্মথন আদায় এবং সংগঠনিকভাবে নিজেকে উপস্থাপনে তার নির্বাচনী ভাবনার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিশেষ করে তার নির্বাচনী প্রধান প্রতিশ্রুতি গুলো ভোটারদের মাঝে ইতিমধ্যে বেশ সাড়াও ফেলেছে।

প্রতিদিনই চলছে তার কম বেশি নির্বাচনী প্রস্ততিমূলক প্রচারনা। ভোটারদের আস্থা মনিরুজ্জামান মানিক। তিনিও আস্থার প্রতিক হিসাবে সকলের মাঝে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন। ইতিপূর্বে তিনি মৈশাদী ইউনিয়নের একাধিক প্রশংসনীয় কাজ করে এক চমক দেখিয়ে সৃষ্টি করেছেন এক দৃষ্টান্ত, যা নজর কেড়েছে ইউনিয়নবাসীর। তার বিভিন্ন সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্টাইল’ ক্লিন ইমেজের নিষ্ঠাবান বিচক্ষণ ব্যাক্তি হিসেবে।

সদা হাস্যজ্জল এই উদীয়মান, সুশিক্ষিত, প্রার্থীকে এলাকাবাসি ও ভোটারা সদস্য হিসেবে দেখতে চায়। জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন সব ক্ষেত্রেই সম্ভব্য অপরাপর প্রার্থীর তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন মনিরুজ্জামান মানিক।

তার বড় শক্তি এলাকার সাধারণ জনগণ ও সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ভালবাসা। তার দারিদ্র্য মুক্ত ও শিক্ষিত সমাজ গড়ার প্রত্যয়কে বাস্তবে রুপ দেয়ার লক্ষে পৌঁছে যাবেন তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে এমনটাই প্রত্যাশা সর্বস্তরের জনগণের।

দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সাথে একান্ত আলাপচারিতায় মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন এবাবের জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্মানিত ভোটার ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আবদারেই প্রার্থী হয়েছি। বিগত দিনে জনপ্রতিনিধি থাকা কালীন সময়ে দল ও মতের উর্ধে থেকে সরকারের উন্নয়ন কাজ সঠিক ভাবে বাস্তবায়নের চেস্টা করেছি।

তার ফসল স্বরুপ জেলার শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এই অর্জন আমার একার না। এটা ছিলো আমার ইউনিয়ন তথা উপজেলা বাসীর।এছাড়াও জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের কল্যানে কাজ করার মাঝে একটা আনন্দ থাকে। আমি উপজেলা থেকে প্রার্থী হয়েছি উপজেলা বাসীর সাথে মিলেমিসে উন্নয়ন কাজ করার জন্য।

এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে গঠিত সদর ওয়ার্ডটিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন, সদর উপজেলা পরিষদ ও চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচিত সকল সম্মানিত জনপ্রতিনিরা। আমি আশাবাদি সম্মানিত ভোটার ভাই-বোনদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমি নির্বাচিত হয়ে তাদেরকে সাথে নিয়ে একসাথে সকল উন্নয়ন কাজের অংশীদার হবো।

তিনি আরো বলেন আমি নির্বাচিত সততার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কাজে অংশীদার হব। এবং সদর উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিঃস্বার্থভাবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো।

সরকারি সকল অনুদানকে সমবন্টন করবো, চাঁদপুর সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদকে শতভাগ ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করবো এবং জেলা পরিষদের সম্মানী ভাতা অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করে দিব। আমি আগামী ১৭ ই অক্টোবর চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সকল ভোটারদের দোয়া সমর্থন কামনা করছি।

একই রকম খবর