হাতি মার্কাকে বিজয়ী করুন, সেবা করার সুযোগ দিন : সদস্য প্রার্থী মানিক

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) সদস্য প্রার্থী সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন, হাতি মার্কাকে বিজয়ী করুন, সেবা করার সুযোগ দিন।

গতকাল ১৫অক্টোবর (শুক্রবার) দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করতে চাই। সেবাই আমার ধর্ম। আমি সদস্য হলে যে সম্মানি ভাতা পাবো, তা অসহায় ও গরীব মানুষ এর মাঝে বিতরণ করে তাদেরকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করব। আমি নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদকে শতভাগ ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করবো। আমার একটা চাওয়া সম্মানীত ভোটাদের মূল্যবান ভোট। এজন্য সর্বস্তরের মানুষের ও ভোটারদের দোয়া কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমার আন্তরিকতা ও মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন আমার কাজের মূল্যায়নস্বরূপ ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর উপজেলার) সকল জনপ্রতিনিধিগণ আমাকে তাদের ম‚ল্যবান ভোট দিয়ে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো। আমি আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর উপজেলা) এর সদস্য পদে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজ এলাকা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের জনগণের সেবা করেিেছ এবং করে যাচ্ছি। আমি জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করতে চাই। সেজন্যই জেলা পরিষদ নির্বাচনে চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করছি। আমি নির্বাচিত হলে দল ও মতের উর্ধ্বে থেকে সকলের জন্য কাজ করবো।

খোঁজ নিয়ে জান যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার সদস্য প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক মৈশাদী ইউপি’র চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন ইউনিয়নে। অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করেছেন সবসময়। এজন্য তিনি এখন জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার জনগনের সেবক হতে চান।

বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে খোজ নিয়ে জানা যায়, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক একজন ক্লিন ইমেজের সদস্য প্রার্থী, ভোটাররা তাকে সাদরে গ্রহন করেছে। তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনে হাতি মার্কা প্রতীক নিয়ে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছেন। প্রতীক পাওয়ার পর থেকে তিনি সম্মানিত ভোটারদের ভোটে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগণের উন্নয়নে ও সদর উপজেলার উন্নয়ন কাজ করতে চান।
তিনি দিনরাত ভোটারদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি হাতি প্রতীক নিয়ে সদরের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করছেন। তাই তিনি হয়ে উঠেছেন ভোটারদের আস্থার প্রতীক, জনগণের মধ্যমনি। পরিবারের সদস্যরাও বিভিন্ন ইউনিয়নে হাতী প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে ভোটারদের কাছে কাছে গিয়েছেন, ভোটারদের সাথে কথা বলেছেন।

দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকাকে সদর উপজেলার সাধারণ নাগরিকগণ জানান, হাতি মার্কা নিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী মানিক সাহেব একজন জনবান্ধন জনপ্রতিনিধি। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন মৈশাদী ইউনিয়নের জনগণের উন্নয়নে কাজ করেছেন। যে যখন যা চেয়েছেন,কেউ খালি হাতে ফিরেনি। তেমনিভাবে আমরা মনে করি, তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে নির্বাচনী এলাকায় মাদক, ইভটিজিং বাল্যবিবাহ রোধ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ, জনগণের কাছে ডিজিটাল সেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এবং জনগনের সেবায় কাজ করবেন। আমরা চাই সম্মানিত জনপ্রতনিধিগণ তাদের মূলবান ভোট দিয়ে সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক কে বিজয়ী করবেন।

খোজ নিয়ে আরো জানা যায়, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন ইউনিয়নকে মডেল রুপান্তরিত করায় ও ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করায় জেলার শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান এর খেতাবে অর্জন করেন। তিনি সবসময় নিচের কথা না ভেবে, জনগণের কথা ভেবেছেন। জনগণকে নিয়ে কাজ করেছেন। কোথাও কোন ব্যক্তির সমস্যার কথা শুনলে তিনি সহযোগিতা করার জন্য ছুটে যেতেন। বাড়িয়ে দিতেন সহযোগিতার হাত। জেলা পরিষদে সদস্য পদে প্রার্থীতা ঘোষনার পর জনসমর্থন ও প্রসংশায় ভাসছেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে তিনি সদস্য পদে নির্বাচন করায়।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির প্রফেসর আলহাজ¦ হাফেজ মোহাম্মদ বশির উল্ল্যাহ (এম.এ ডবল) এর বড় ছেলে ও বীর প্রতীক মমিন উল্ল্যাহ পাটওয়ারী এর ভাতিজা। তার নানা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী।

তিনি শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।তার মা মরহুম মোসাম্মৎ মমতাজ বেগম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন আর্দশ শিক্ষিকা ছিলেন । তিনি মৈশাদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে কর্মদক্ষতার কারণে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান স্বীকৃতি অর্জন করেন ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি তা প্রমান করেছেন তার কর্মদক্ষতা ও মানুষের সেবার মাধ্যমে।

একই রকম খবর