হাতি মার্কা নিয়ে দিন-রাত প্রচারনায় সদস্য প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক

মো: রানা সরকার: চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক হাতি প্রতীক নিয়ে দিন-রাত প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।নির্বাচনে এবার প্রচারানায় যুক্ত হয়েছে মোবাইলে ম্যাসেজ,ভয়েজ মেইলসহ নানা প্রযুক্তি ।

গত ২৬সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে হাতি প্রতীক নিয়ে প্রচারণা শুরু করেন তিনি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটারদের কাছে এবং নিবাচনী এলাকায় প্রচারনা চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে গতকাল ৭অক্টোবর (শুক্রবার) দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি হাতি মার্কা প্রতীক নিয়ে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছি। আমি সম্মানিত ভোটারদের ভোটে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলে সরকারি সকল অনুদান সমানভাবে বন্টন করবো। আমি জেলা পরিষদ থেকে যে সম্মানি ভাতা পাবো, তা অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করে দিব। আমি নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদকে শতভাগ ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করবো।

আমি নির্বাচনে সদস্য পদে বিজয়ী হলে পূর্বের ন্যায় জেলা পরিষদের কাজ করবো এবং সকল উন্নয়নমূলক কাজগুলো আমি সদস্যদের সমন্বয়ে করবো। আমি আমার সম্মানীত ভোটাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি এবং সর্বস্তরের মানুষের দোয়া কামনা করছি।

তিনি দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি হাতি মার্কা নিয়ে জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে, যেমনভাবে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মৈশাদী ইউনিয়নের জনগণের উন্নয়নে কাজ করেছি, তেমনিভাবে চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপির সার্বিক সহযোগিতায় আমার নির্বাচনী এলাকায় মাদক, ইভটিজিং বাল্যবিবাহ রোধ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ, জনগণের কাছে ডিজিটাল সেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এবং জনগনের সেবায় কাজ করবো।

তিনি আরো বলেন, আমি মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন যেভাবে মানুষের সেবা ও ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করেছি, তেমনিভাবে চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে হাতি মার্কা প্রতীক নিয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত হলে মানুষের সেবা করবো। আমি আপনাদের দোয়া ও মূল্যবান ভোটে চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে নি:স্বার্থভাবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো। আমি জনগনের সেবায় সবসময়ই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির প্রফেসর আলহাজ¦ হাফেজ মোহাম্মদ বশির উল্ল্যাহ (এম.এ ডবল) এর বড় ছেলে ও বীর প্রতীক মমিন উল্ল্যাহ এর ভাতিজা। তার নানা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী। তিনি শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি মৈশাদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে কর্মদক্ষতার কারণে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান স্বীকৃতি অর্জন করেন ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

একই রকম খবর