হাতি মার্কা নিয়ে মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন জনপ্রিয় প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) সদস্য পদে জনপ্রিয় প্রার্থী সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক হাতি প্রতীক নিয়ে মাঠে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিদিন তিনি মাঠে চড়ে বেড়াচ্ছেন । ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক সাঁড়া পড়েছে ।গনসংযোগে সবার দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করছেন ।

এরই মধ্যে প্রচারনার অংশ হিসেবে হাতী প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়নে পরিষদে গিয়ে প্রচারনা করছেন প্রার্থীর স্ত্রী তাছলিমা আক্তার ও ছোট বোন বদরুন্নাহার আখি। প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচারনায় অংশ নিচ্ছেন । ভোটারও স্বাগত গ্রহন করছেন ।

এ বিষয়ে গতকাল ১২অক্টোবর (বুধবার) দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকাকে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক জানান, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি হাতি মার্কা প্রতীক নিয়ে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছি। আমি সম্মানিত ভোটারদের ভোটে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলে সরকারি সকল অনুদান সমানভাবে বন্টন করবো। আমি জেলা পরিষদ থেকে যে সম্মানি ভাতা পাবো, তা অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করে দিব। আমি নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদকে শতভাগ ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করবো। তাই আমি আমার সম্মানীত ভোটাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি এবং সর্বস্তরের মানুষের দোয়া কামনা করছি।

তিনি দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার আরো বলেন, আমি হাতি মার্কা নিয়ে জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে, যেমনভাবে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মৈশাদী ইউনিয়নের জনগণের উন্নয়নে কাজ করেছি, তেমনিভাবে জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপির সার্বিক সহযোগিতায় আমার নির্বাচনী এলাকায় মাদক, ইভটিজিং বাল্যবিবাহ রোধ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ, জনগণের কাছে ডিজিটাল সেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এবং জনগনের সেবায় কাজ করবো।

তিনি আরো বলেন, আমি মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন যেভাবে মানুষের সেবা ও ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করেছি, তেমনিভাবে চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে হাতি মার্কা প্রতীক নিয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত হলে মানুষের সেবা করবো। আমি আপনাদের দোয়া ও মূল্যবান ভোটে চাঁদপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত হলে সদর উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে নি:স্বার্থভাবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো। আমি জনগণ ও দেশের সেবায় সবসময়ই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।

খোজঁ নিয়ে জানা যায়, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন ইউনিয়নকে মডেল রুপান্তরিত করায় ও ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করায় জেলার শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান এর খেতাবে ভুষিত হন।

তিনি সবসময় জনগণের কথা ভেবেছেন। জনগণকে নিয়ে কাজ করেছেন। কোথাও কোন ব্যক্তির সমস্যার কথা শুনলে তিনি সহযোগিতা করার জন্য ছুটে যেতেন। বাড়িয়ে দিতেন সহযোগিতার হাত। জেলা পরিষদে সদস্য পদে প্রার্থীতা ঘোষনার পর জনসমর্থন ও প্রসংশায় ভাসছেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক। এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির প্রফেসর আলহাজ¦ হাফেজ মোহাম্মদ বশির উল্ল্যাহ (এম.এ ডবল) এর বড় ছেলে ও বীর প্রতীক মমিন উল্ল্যাহ এর ভাতিজা। তার নানা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী।

তিনি শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি মৈশাদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে কর্মদক্ষতার কারণে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান স্বীকৃতি অর্জন করেন ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

 

একই রকম খবর