অর্থ সংকটের কারণে সৌদি থেকে লাশ আনতে পারছেন না সজিবের পরিবার

সমির ভট্টাচার্য্যঃ দক্ষিণ উপজেলার উপাদি উত্তর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দাস বাড়ী যুগল চন্দ্র দাসের ছেলে মাত্র ৪মাস পূর্বে বড় স্বপ্ন নিয়ে কর্ম সংস্থানের জন্য সৌদি আরবে যায়।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ৪মাস যেতে না যেতেই গত ১৩ মার্চ নিজ কক্ষে ষ্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন সজীব চন্দ্র দাস। পাসপোর্ট নম্বর A০১৬৯৫২৯১। সে সময় তার পরিবার বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে লোন করে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তাকে সৌদি আরবে পাঠায়।

তার পিতা যুগল চন্দ্র দাস জানায়, আমার তিন ছেলে এক মেয়ে। ছোট ছেলেকে অনেক আগেই সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলাম। বড় আশা নিয়ে আমার ভাতিজা হৃদয় দাসের মাধ্যমে প্রায় ৫লক্ষ টাকা এনজিও সংস্থা থেকে লোন তুলে আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠাই। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! ৪মাস যেতে না যেতেই আমার ছেলে স্টোক জনিত কারণে পরলোকগমন করেন।

এখন আমি কি করে এনজিও র টাকা পরিশোধ করি। এ দিকে সৌদি আরব থেকে আমার ভাতিজা ও ছোট ছেলে লাশ আনতে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে আমাকে জানায়। আমি কোথা থেকে এ টাকা সংগ্রহ করব। আজ ২৫ দিন হলো ছেলে মৃত্যুবরণ করেছে। এখনো টাকার জন্য ছেলের লাশ আনতে পারছি না।

ছেলে লাশ আনতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। এদিকে আমি শোক সইতে না সইতে এনজিও সংস্থাগুলো টাকার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ দিচ্ছে। এ থেকে আমি পরিত্রাণ চাই। আমার বড় ভাই দুজনের মালিকানা গাছ একক ভাবে কেটে নিয়ে গেছে। কাউকে কিছু বলতে পারছি না সহ্য ও করতে পারছি না।

 

একই রকম খবর