লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

এমএম কামাল : চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং ললক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া বাজারে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধশত লোক আহত হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের রাবার বুলেট নিক্ষেপ। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। তবে আবারো যে কোন সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পরে।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় বহরিয়া বেড়ি বাঁধ রাস্তার উপর সাবেক চেয়ারম্যান মনা খাঁনের ছেলে কামালের দোকানের সামনে প্রথম ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

জানা যায়, ১০ নং ললক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাছ ব্যবসায়ী ছলেমান মাঝির ছেলে সাগর মাঝি (১৮) বহরিয়া মিজানের দোকানে চা খেতে আসে। পরে কামালের তেলের দোকানের সামনে দাঁড়ালে ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খাঁনের বড় ছেলে শান্ত মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে ছলেমান মাঝির ছেলে সাগর মাঝির গায়ের উপর উঠিয়ে দেয়। এ ঘটনা নিয়ে দু’জনের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর পরেই শুরু হয় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

বিকেল ৫টা থেকে শুরু করে রাত ৮ টা পর্যন্ত বহরিয়া বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের প্রায় অর্ধশত লোক আহত হয়েছে।

বহরিয়া বাজারের প্রায় শতাধীক দোকানের শাটার ভাংচুর করে করে। পরে হামলাকারিরা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাছ ব্যবসায়ী ছলেমান মাঝির শ্রীরামপুরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ, ডিবি পুলিশ, পুরানবাজার ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।

এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের ¯্রােতারা জানায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ হামলার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এতে করে বিএনপির লোকজন সাহস পেয়ে এলাকায় নৈরাজ্য করার চেষ্টা করবে। আমরা আর এ সংঘর্ষ দেখতে চাইনা। এর সমাধান চাই।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী জানায়, বহরিয়া বাজারে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

একই রকম খবর

Leave a Comment