ইত্তেফাকের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সংবাদে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ

১৪ জুন তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইন সংস্করণে ”ফেসবুকে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুপ মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়”প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

আমার সম্পর্কে বেশ কিছু অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের বন্ধু সহযোদ্ধা ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি প্রয়াত প্রার্থ প্রতিম আশ্চার্য ১৯৯৮ সালের ২২ এপ্রিল বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের গুলিতে নিহত হয়। তাঁর স্মৃতি চারন করতে গিয়ে প্রতিবছর ওই তারিখে আমরা বন্ধুরা মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করি।

প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আমাদের আরেক বন্ধু ইকবাল হোসেন ভুইয়া তার ফেসবুকে প্রার্থ প্রতিমের সমপর্কে স্মৃতিচারন করে স্ট্যাটস দিয়েছিল। আমিসহ আমার অনেক বন্ধু তার স্ট্যাটাসে কমেনন্ট করেছি। প্রসংগক্রমে নির্বাচনী এলাকার কচুয়ার বিগত ইউপি নির্বাচন,সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা নির্বানের কথা উল্লখ করতে গিয়ে আমি ৭৫ পরবর্তী খন্দকার মোশতাক সরকারে মন্ত্রী পরিষদে জাতির পিতার সময়ে ঘনিষ্ঠ হিসেবে ছিলেন এরকম ব্যাক্তিও ছিল, এমন কথা উঠে আসে।

আমরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে আওয়ামী লীগ এবং দেশ রত্ন শেখ হাসিনার প্রতিটি নির্দেশনা মান্য করে বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে আন্দোলন করেছি। আজ ছাত্রলীগের সে সময়ের বন্ধুরা নবাগত সুবিধিাভোগী অনুপ্রবেশকারীদের চাপে কোন ঠাসা ও উপেক্ষিত।মূলকথা আমরা যারা সেসময় আন্দেলন সংগ্রামে ১/১১এর তথাকথিত তত্বাবধায়ক সরকার বিরোধী আন্দোলন,স্বৈরচার এরশাদ বিরোধী আন্দলন করেছি আমরা আজ কোথায় ? আমি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু,বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনা সম্পর্কে কোন উক্তি বা মন্তব্য করিনি।

বরং দৈনিক ইত্তেপাকের ১৪ জুনের অনলাইন সংস্করনে বিকৃত তথ্য দিয়ে আমাকে আমার আজীবন লালিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিরুদ্বে দাড় করিয়ে পর্দার অন্তরালের কারো স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা করেছে।আমি বিগত সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সাবেক স্বরাসট্র মন্ত্রী ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির ন্যেকা প্রতীককে বিজয়া করতে দলের পক্ষে সরকারের নির্দেশনানুযায়ী কাজ করেছি।

আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বীবাদ পুষ্ট হয়ে অনেক প্রতিকুলতা পেরিয়ে আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা নিয়ে দুবার উপজেলা নির্বাচন করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তুনমূলের নেতাকর্মীগন আমাকে শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসেবে ভালবোসে আপন করে নিয়েছে। এবিষয়টি অনেকের কাছে ভাল না লাগার কারনে সংবাদদাতাকে মিথা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্বে এমন কাল্পনিক সংবাদ অনলাইনে প্রচার করেছে।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগন

আমি ছাত্রলীগ ঢাবির শহীদ উল্লাহ হল শাখার সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক,নির্বাহী সদস্য, কেন্দ্রিয় যুবলীগের সদস্য সর্বশেষ বাংলাদেশ আওয়ামী রীগ উপকমিটির দুবার সদস্য পদ গ্রহন করেছে। আমি রাজনৈতিক জীবনে দুইযুগের মত একনিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি।

ঢাকার রাজ পথে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির গুলির আগাতে ক্ষত বিক্ষত হয়েছি।প্রায় ৪০টির মত মিথ্যে মামলায় আমাকে জড়িয়ে জীবন দুর্বিসহ করে ফেলেছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার কারনে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

যারা অসত্য তথ্য পরিবেশন করে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,প্রিয় নেত্রীকে নিয়ে মিথ্যাচার করে সংবাদদাতাকে ভূল তথ্য দিয়ে কাল্পনিক সংবাদ অনলাইনে প্রচার করেছে আমি তাদের বিচার ও এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
ধন্যবাদান্তে
মো: শাহজাহান শিশির
চেয়ারম্যান
উপজেলা পরিষদ ,কচুয়া চাঁদপুর ।

একই রকম খবর