চাঁদপুরে ২৭ টন খাদ্য অনুপযোগী চিংড়ি মাছ মাটিচাপা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর শহরের ইচলি এলাকায় সী-ফুড করপরেশন লিমিটেডে কোল্ডস্টোরে ৩ কোটি টাকার পঁচা চিংড়ি মাছ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় সী-ফুডে করপরেশনের সামনে মাটি খুড়ে ২৭ টণ পঁচা গলদা এবং বাগদা চিড়িং মাটিতে ফুতে ফেলা হয়। এসব চিংড়ির আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি টাকা।

প্রায় ৩ বছর ধরে সী-ফুডে এসব চিংড়ি মজুদ রাখা হয়। এর এসব চিংড়ি থেকে পাঁচা দুগন্ধ ছাড়ালে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। মাছগুলো জনস্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় চিংড়িগুলো জব্দ করে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে চিংড়ি গুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা সুলতানা খান হীরা মনি, আজিজুন নাহার, চাঁদপুর সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম মো. কবির হোসেন, এজিএম মো, আব্দুল মতিন, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আশ্রাফুজ্জামান, কোস্টগার্ডের পিও অফিসার এমএম কাদের, জেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু পাটওয়ারী, চাঁদপুর মডেল থানার এস আই হাবিবুর রহমান।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান সাংবাদিকদের জানান, সী-ফুড কোল্ডস্টেরে ২৭ টন চিংড়ি মাছ মজুদ রাখা হয়ে ছিলো, এখন সব মাছ পঁচে যাওয়ার কারণে মানুষের খাদ্যের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া চিড়িং থেকে প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের যেনো কোন ক্ষতি না হয়, সেজন্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে মাছগুলো মাটি পুঁতে ফেলা হয়েছে। এখানে মোট ২৭ টন গলদা এবং বাগদা চিড়িং রয়েছে। যার আনুমানিক মুল্য ৩ কোটি টাকা।

প্রসঙ্গত, সী-ফুড করপরেশন লিমিটেড কোল্ডস্টোর প্রতিষ্ঠানটি সোনালী ব্যাকেংর কাছে প্রায় ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকা ঋণে দায়বদ্ধ ছিলো। আর এই টাকা আদায়ের জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করে। ৬/১৮ নং মামলাটি এখন চলমান রয়েছে। পরিবেশ, ব্যাংক, সিভিল সার্জন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও কোস্টগার্ড প্রতিনিধিদের সম্মিলিত এবং সর্ব সিদ্ধান্তক্রমে সী-ফুডের পঁচা চিংড়ি বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

একই রকম খবর

Leave a Comment