চাঁদপুরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডাঃ সৈয়দ আহমেদ কাজল

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : করোনার ভাইরাসের মধ্য দিয়ে শুরু থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ আহমেদ কাজল ।তিনি একটু ব্যক্তিক্রম ।

প্রচার বিমুখ এই ডাক্তার অনেকটা নিরবে মানুষের এই দুর্যোগ মুহুর্তে তিনি নিয়মিত হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ডিউটি করছেন এবং গভীর রাত অবদি রোগী দেখছেন এবং সেবা দিচ্ছেন ।

সেই সাথে চাঁদপুর প্রেসক্লাবস্থ রিয়াদ প্যাথলজিতেও তার ব্যক্তিগত চেম্বারেও তিনি নিয়মিত রুগী দেখছেন । পাশাপাশি মোবাইলে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন তিনি । করোনার মতো এই দুর্যোগে যেখানে শহরের অনেক চেম্বারে ডাক্তারা ঘোষনা দিয়ে রোগী দেখা বন্ধ করেছে ,সেই মুহুর্তে ডা:কাজল একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি রোগী দেখা । বাসা শহরের গুনরাজদী হলেও এই দুর্যোগ সময়ে সদর হাসপাতালের রাতে জরুরী বিভাগে নিয়মিত ডিউটি করছেন ।সেটা হলো সবচেয়ে ঝুঁকিপুর্ণ ।

প্রথমেই কোন সুরক্ষা ছাড়াই সরকারি হাসপাতালে রুগী দেখেছেন । পরক্ষনে নিজেই পিপিই ও মাস্ক কিনে সুরক্ষার চেষ্টা করেছেন । পরক্ষনে সরকারিভাবেও সুরক্ষার ব্যবস্থা নিয়েছেন । জানা গেছে, অত্যন্ত বিনয়ী ভদ্র ডা: সৈয়দ আহমেদ কাজল রোগীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় । এছাড়াও তিনি এই দুর্যোগের সময়ে নিরবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সাহায্য সহযোগিতা করছেন । তবে এইসব নিয়ে একবোরেই প্রচারে আগ্রহী নন । তিনি এটা মানব সেবার ব্রত হিসেবে দেখছেন ।

জানা গেছে, সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রাতে গোটা হাসপাতালের জন্য মাত্র একজন ডিউটি ডাক্তারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । এতে করে হিমসিম পড়তে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ডিউটি ডাক্তারকে চিকিৎসা সেবা দিতে ।এখানে একাধিক ডাক্তার দেওয়ার দাবী উঠেছে ।

এ ব্যাপারে গতকাল ১০ মে রবিবার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ আহমেদ কাজল দৈনিক চাঁদপুর খবরকে জানান, করোনার ভাইরাসের মধ্য দিয়ে শুরু থেকেই আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত রুগী দেখছি । প্রথম অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে করলেও পরক্ষণে পিপিই লাগিয়ে ডিউটি করছি । বিশেষ করে হাসপাতালের জুরুরী বিভাগে উিউটি বেশী ঝুঁকিপুর্ণ ।

তারপরও দিন-রাত এই দুর্যোগে মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছি ।আমি মনে করি বিপদের সময় আমাদেরকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে । মোবাইলেও সেবা দিচ্ছি ।যখনই যে সেবা চাচ্ছে ,সেভাবেই চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি ।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন.সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রাতে গোটা হাসপাতালের জন্য মাত্র একজন ডিউটি ডাক্তারকে দায়িত্ব দেওয়া হয় । এতে দায়িত্বরত একজন ডিউটি ডাক্তারের পক্ষে পুরো হাসপাতালের রোগীদের সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছেন । এখানে একাধিক ডাক্তার দেওয়া প্রয়োজন । বিষয়টি আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি ।

একই রকম খবর