চাঁদপুরে পবিত্র ঈদ উল আযহা উদযাপন

মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল আযহা । যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর জেলায় মুসলিম সম্প্রদায় ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। ঈদকে ঘিরে জেলা জুড়ে ছিলো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদের পূর্ব থেকে চাঁদপুর জেলা পুলিশ কোরবানির পশুরহাটসহ ঈদ জামায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেন।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে শহরের অধিকাংশ মসজিদে ঈদের প্রথম জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। কোন কোন মসজিদে একাধিক জামায়াতের আয়োজন করা হয়।

শহরের কালীবাড়ী রেলওয়ে কেন্দ্রিয় বাইতুল আমিন জামে মসজিদে সকাল ৭টায় প্রথম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামায়াতে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ বোরহান উদ্দিন।

এ সময় মুসল্লীরা ঈদের জামাতে অংশ নেয়। পরে পর্যায়ক্রমে শহরের চৌধুরী জামে মসজিদ, ঐতিহাসিক বেগম জামে মসজিদ, চিশতিয়া জামে মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড গৌর এ গরীবা জামে মসজিদ, পুর্ব নাজির পাড়া জামে মসজিদ, চাঁদপুর সরকারি কলেজ জামে মসজিদ, মিশন রোড জামে মসজিদ, রহমতপুর আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদ, পুরাণ বাজার ঐতিহাসিক জামে মসজিদসহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে ঈদের ৩টি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৬টায়। এতে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলান আব্দুর রউফ। দ্বিতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়। এতে ইমামতি করেন হাফেজ মো. মামুন। তৃতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। এতে ইমামতি করেন মুফতি মাওলানা মো. বেলাল।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার কারণে কোন ঈদগাহে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়নি। যার কারণে নিকটস্থ মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানি দিয়েছেন সামর্থবানরা।

করোনা পরিস্থিতির কারণে ঈদ আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের বাসায় বেড়ানো কমেছে। আবার অনেকেই শহর ছেড়ে গ্রামে গিয়েছেন ঈদ উদযাপন করার জন্য। করোনা পরিস্থিতির কারণে শহরের বড় স্টেশন মোলহেড প্রধান পর্যটন কেন্দ্র এখন অনেকটাই ফাঁকা।

একই রকম খবর