চাঁদপুরে সম্পত্তির সীমানার বিরোধে ছোট ভাইকে মেরে আহত

স্টাফ রির্পোটার : চাঁদপুর শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদ এলকায় সম্পত্তির সীমানার বিরোধের জের ধরে আপন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম গাজীকে মেরে আহত করে নাটকীয়তা করছেন বড় ভাই ফজলুল গাজী। এমন বিরোধ নিয়ে ঝগড়া ঝাটি এবং মারামারি সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে দুই দফা পুলিশ গেলেও বড় ভাই ফজলুল গাজী তৃতীয় দফা ছোট ভাইয়ের পথ গতিরোধ অতর্কিত হামলা চালিয়ে মেরে গুরুতর আহত করেছেন।

এমনই অভিযোগ তুলেছেন ওই এলকার গাজী বাড়ির মৃত আবুল হোসেন গাজীর পুত্র নুরুল ইসলাম গাজী। গত ১৪ মে ও ১৫ মে রোববার সকালে চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডস্থ ষোলঘর পাকা মসজিদ এলকার গাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে আহত নুরুল ইসলাম গাজী চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে হামলাকারী বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

আহত নুরুল ইসলাম গাজী ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, দীর্ঘদিন যাবত তাদের বাড়ির সম্পত্তির পাশের সীমানা নিয়ে তার বড় ভাই ফজলুল গাজীদের সাথে বিরোধ ও মনােমালিন্য হয়ে আসছে। তিনি জানান, তারই সূত্রধরে ১৪ মে শনিবার সকালে আমার বড় ভাই ফজলুল গাজী, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম এবং ছেলে থােকন গাজী, আমার পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা করে। এই সময় আমরা চাঁদপুর

মডেল থানায় অবগত করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে এবং উভয় পক্ষকে সমঝােতা করে দিয়ে যান।কিন্তু তারা থানা পুলিশের সেই সমাঝতাকে অমান্য করে ঘটনার পরদিন রোববার দুপুর ১টায় আমি আমার বাড়ি থেকে ষােলঘর পাকা মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বড় ভাই ফজলুল গাজীসহ তার পরিবারে লোকজন আমার পথ আটকে
আমার উপর আবার ও অতর্কিত হামলা চালায়।

এসময় তারা আমাকে একা পেয়ে কিল-ঘুষি, থাপ্পর মারে, আমার বাম চোখে আঘাত করে ও নিলা-ফুলা, গলায় জখম করে। হামলার সময় আমার স্ত্রী আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তারা তার ওপরও হামলা চালায় এবং আমার স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের হার নিয়ে যায়।

পরে আমার আহতের অবস্থা দেখে আমার বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। অথচ তিনি আমাকে এবং আমার পরিবারের ওপর এতটা হামলা চালিয়ে আহত করার পর ঘটনার মিথ্যে কাহিনী সাজাতে নাটকীয়তা করে শুধু শুধু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

 

একই রকম খবর