চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ

গাজী মোঃ ইমাম হাসানঃ চাঁদপুর জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটওয়ারী সহ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যরা দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় জেলা পরিষদে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর মোড়ালে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে নব নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে জেলা পরিষদ ভবনে প্রবেশ করেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটওয়ারী।

এসময় জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান নেতৃত্বে পরিষদের কর্মকর্তারা নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান সহ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরন করে নেন ও মিষ্টি মুখ করান।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটওয়ারী পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,নির্বাচন কমিশন জেলার ও সকল জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ধন্যবাদ,শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় তিনি বলেন আমাকে পুনরায় নির্বাচিত করায় এই জেলার মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ আরোও বেড়ে গেছে।এই পরিষদ হবে আগামী দিনে চাঁদপুর জেলার বাসীর কাছে মডেল পরিষদ। আমি সহ আমার নির্বাচিত সকল সদস্যরা মিলে জেলার সুষম উন্নয়নে কাজ করবো।

আমরা জেলার ২০ লাখ ভোটারের প্রতিনিধি সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই আমাদের উন্নয়ন কাজ করতে হবে।

বিগত সময়ে আমাদের যে কাজ অসমাপ্ত রয়েছে সেগুলোকে সমাপ্ত করতে হবে।আমি মনে করি আগামী দিনের জেলা পরিষদ হবে অত্যন্ত শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ, ও কার্যকর পরিষদ।কারণ আমাদের প্রতি জনগনের প্রত্যাশা অনেক।জননেত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন টেকসই উন্নয়ন করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।যে সকল পরিষদ আমাদের সহায়তা করছে তাদের দিকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে।উন্নয়ন কাজে কোন বিভাজন করা হবে না।

তিনি আরোও বলেন এই জেলার মানুষের প্রতি নেত্রী অনেক বেশি আন্তরিক।রাজনীতি, ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক উর্ভর ক্ষেত্র চাঁদপুর।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনা যাত্রাপথে চাঁদপুরে অবস্থান করতেন।অনেক গুণী মানুষের জন্ম এই জনপদে। তাই আমাদের উচিত এই জনপদের উন্নয়নে একযোগে কাজ করা। তাই আসুন সকলে মিলে ত্যাগ আর সংগ্রামে পাওয়া জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমানে এক যোগে কাজ করি।

এছাড়াও তিনি বলেন এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রমান হয়েছে এভিএম যে একটা সচ্ছ ও সুন্দর ভোট গ্রহন প্রক্রিয়া।প্রটিতি ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। সিসি ক্যামেরা আওতায় ছিল প্রায় সবকটি ভোট কেন্দ্র।ভোটারা ভোগান্তিহীন ভাবে তাদের ভোট প্রদান করেছে।তাই আমি আশা করবো আগামী দিনগুলোতে যাতে এভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ইঞ্জিয়ার মো. ইকবাল হোসেন,আ’লীগ নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিন্নাহ পাটওয়ারী,সাধারণ সদস্য ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর উপজেলা) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক,

২নং ওয়ার্ড (হাইমচর উপজেলা) খোরশেদ আলম, ৩নং ওয়ার্ড (ফরিদগঞ্জ উপজেলা) আলী আক্কাছ, ৪নং ওয়ার্ড (মতলব দক্ষিণ উপজেলা) মো. আল-আমিন ফরাজী, ৫নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর উপজেলা) মো. আলাউদ্দিন সরকার,

৬নং ওয়ার্ড (কচুয়া উপজেলা) তৌহিদুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ উপজেলা) মো. বিল্লাল হোসেন ও ৮নং ওয়ার্ড (শাহরাস্তি উপজেলা) মো. জাকির হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১নং ওয়ার্ড (সদর, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর) আয়শা রহমান, ২নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিন, কচুয়া) তাছলিমা আক্তার ও ৩নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) জান্নাতুল ফেরদৌসী।

একই রকম খবর