চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে নবান্ন উৎসব

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো: মাজেদুর রহমান খান বলেছেন, জীবনের সৌন্দর্যকে লালন করার জন্য, তার সৃষ্টিশীলতাকে উৎসবে রূপান্তর করার জন্য নিজের উৎসবের মধ্য দিয়ে সমস্ত জাতি সত্ত্বাকে আনন্দে আপ্লুত হওয়ার জন্য এই ধরণের অনেক উপলক্ষ্যের মধ্যে নবান্ন একটি। এই উৎসবে আমরা প্রাণের উচ্ছ্বাস দেখতে পেরেছি।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে নবান্ন উৎসব ১৪২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, এই ধরণের আয়োজন চার দেয়ালে নয় বরং চার দেয়ালের বাহিরে করতে হয়। পরবর্তীতে আমরা এই ধরণের উৎসব আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশে আয়োজন করবো।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মো: মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, নবান্ন উৎসবটি গ্রাম বাংলার মত না হলেও, আমরা এই উৎসবকে গ্রামের উৎসবের মত বুখে ধারণ করলাম। এই উৎসবকে বাঁচিয়ে রেখে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এই উৎসব যারা আয়োজন করেছেন তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

জেলা কালচারাল অফিসার মো: আয়াজ মাবুদ ও সাইয়েদুল আরেফিন শ্যামল এর যৌথ সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সাহিত্য একাডেমীর মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত, মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী দেলোয়া হোসেন, শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান কিরন, বিশিষ্ট্য ছড়াকার পিযুষ কান্তি বড়ুয়া, আলোচনা সভার পূর্বে উৎসব উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা।
একইদিনে একই স্থানে বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রাম্য ও নবান্ন চিত্র বিষয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা এবং আলোচনা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে সিমান্ত মহাজন নামে গানের শিল্পীকে সহযোগিতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা দান করেন জেলা প্রশাসক।

একই রকম খবর