চাঁদপুর মুন্সীগঞ্জ-আশুগঞ্জ নৌপথ ড্রেজিং এর জন্যে চুক্তি সই

চাঁদপুর খবর রির্পোট: বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত ৪শ৮৭ কিলোমিটার নদী খননে দুই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এ চুক্তির আওতায় ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ক্যাপিটাল ও রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ নৌপথ পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের উপযোগী রাখবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

এজন্য প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার ৪শ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার চুক্তি সই হয়।
এ সময় নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও নৌ-সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশের নৌ-পথ পুনরায় উদ্ধার ও উন্নয়নে হাত দেন। এরই ধারাবাহিকতায় এসব নদী খনন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন প্রকল্প-১ এর আওতায় এ দুটি লটে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়।

চুক্তিতে প্রকল্প পরিচালক ও বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আইউব আলী এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গালফ কবলা-কর্ণফুলী যৌথ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ ও অপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ধারতি-বঙ্গ যৌথ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মো. আইনুল ইসলাম সই করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক প্রমুখ।

চুক্তি অনুযায়ী, ১৩টি নৌরুটের উন্নয়ন ও সংরক্ষণ খনন কাজ করবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় ৬টি স্থানে নৌযানসমূহের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৩টি ফেরি ক্রসিং এলাকায় সংরক্ষণ ড্রেজিং, ৪টি প্যাসেঞ্জার ও ২টি কার্গো টার্মিনাল ও ১৫টি ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণ এবং ২টি মাল্টিপারপাস ভেসেল সংগ্রহ করা হবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয় তিন হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে তিন হাজার ৫২ কোটি ও বাংলাদেশে সরকারের ২শ ৯৬ কোটি টাকা।

একই রকম খবর