চান্দ্রায় বিকাশের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধাকে মারধর

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকার দক্ষিণ বালিয়ার গাজী বাড়ীর হারুন অর রশিদের ছেলে ঢাকা থেকে বিকাশে তার পরিবারে জন্য কিছু টাকা পাঠান একই এলাকার মৃত. খাজা আহমেদর ছেলে ছামাদ গাজীর কাছে। এই টাকা আল-আমিনের মা মায়া বেগম চাইতে গেলে তাকে বেদম মারদর করেন ছামাদ গাজী ও তার মা ছকিনা বেগম।

এ বিষয়ে আল আমিনের বাবা হারুন অর রশিদ চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগকারী হারুন অর রশিদ জানায়, আমার ছেলে আল-আমিন ৪ এপ্রিল আমাদের সাংসারিক খরচরে জন্য বিকাশের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৫শ’ টাকা পাঠায় একই এলাকার মৃত. খাজা আহমদের পুত্র ছামাদ গাজীর কাছে। এই টাকা আমার স্ত্রী মায়া বেগম ছামাদের কাছে চাইতে গেলে পরে বিকাশ থেকে উঠিয়ে দিবে বলে জানায়।

এ ভাবে কয়েকবার চাওয়ার পর ৭ এপ্রিল পুনরায় আমার স্ত্রী আবার ছামাদের কাছে যান এবং বলেন, বিকাশে টাকা উঠাতে এতোদিন সময় লাগার কথা না। তাহলে তুমি কেন কালক্ষেপন করছো। আমার ছেলে আমাদের প্রয়োজনের জন্যইতো ঢাকা থেকে তোমার বিকাশ নাম্বারে টাকা পাঠিয়েছে। এ নিয়ে ছামাদের মা ছকিনা বেগম উচ্চ স্বরে আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলেন এবং তাকে গালমন্দ করেন।

এ সময় উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছামাদ গাজী ও তার মা ছকিনা বেগম মিলে আমার স্ত্রী মায়া বেগমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ছামাদ আমার স্ত্রী’র গলায় কাপড় পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে এবং তার মা ছকিনা বেগম পাশে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে আমার স্ত্রীকে সাজরে আঘাত করে। এসময় তার মাথায় ও চোখের নিচে মারাত্বক জখম হয়। তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করাই।

হারুন অর রশিদ আরো জানায়, মৃত. খাজা আহমেদের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করেই আমার স্ত্রীকে মারধর করে এবং আমাদের টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করে। আমরা নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি। তাই আমরা যাতে এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার পাই সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

একই রকম খবর