জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেখে চাঁদপুরে ৫’শ টাকার তরমুজ ২শ টাকায় বিক্রি

বিশেষ প্রতিনিধি : জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট দেখে চাঁদপুরে ৫’শ টাকা ধরে বিক্রি করা তরমুজ ভয়ে সঠিক দামে ২শ টাকা বিক্রি করেছে,এক দোকানী। এতে করে তাৎক্ষনিক কিছু ক্রেতা তরমুজের স্বাদ গ্রহন করার সুিবধা টুকু পেয়ে মনের আনন্দে তরমুজ ক্রয় করেছেন। সে তরমুজ দিয়ে ইফতার করে শান্তি পেয়েছে বলে তরমুজ ক্রেতা এক ব্যাক্তি তার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। তিনি হলেন চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার এলাকার একজন সংবাদকর্মী তার নাম হচ্ছে মিজানুর রহমান ।

চাঁদপুর শহরের পালবাজার এলাকার ফল বিতান নামে ফলের দোকানে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান চালানোর পর যে তরমুজ দিনভর ৫’শ টাকায় বিক্রি হয় সে তরমুজ দেড়-দুই’শ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সোমবার বিকালে চাঁদপুর বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামাল হোসাইন নিজেই কৃষি বিপনন আইনে এ অভিযানেরর নেতৃত্ব দেন।
এ সময় তিনি বলেন, জনস্বার্থে বিপণন খাদ্য আইনের ১৯ ধারায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তখন ব্যবসায়ি মূল্য তালিকা ও ক্রয় রশিদ দেখাতে না’পারায়,তারা একটি তরমুজের দাম এক থেকে দেড়শ টাকার স্থলে ৫০০ টাকায় বিক্রি করছিল। জনগণকে দেড় দুই’শ টাকার মধ্যে তরমুজ কেনার জন্য মূল্য ধার্য করে দেওয়া হয়।

এছাড়া বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত বিএসটিআই এর সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে অভিযান করে ৭টি নিয়মিত মামলা করেছে এ ভ্রাম্যমান আদালত। বিএসটিআই কুমিল্লার পরিদর্শক মোঃ সাইদুল ইসলামসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,চাঁদপুরে দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন ফল ব্যবসায়ীরা প্রচন্ড গরম ও পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্র রোজাকে পুজি করে বিগত দিনে ১শ’ টাকা থেকে ২শ’টাকায় যে তরমুজ বিক্রি করেছে,সে তরমুজ তারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এখন ৫শ’ থেকে ৭শ’টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে,গত প্রায় ২০দিন যাবত। এতে করে ক্রেতারা ও অসহায় হয়ে তাদের কাছে জিম্মি হয়ে প্রয়োজনের তাগিদে বেশী মূলেই সে তরমুজ কিনতে বাধ্য হয়েছে। আর বেশী অর্থ দিয়ে লোকসান গুনেছে।

একই রকম খবর