হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-কচুয়াতে দিনে দু’ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না

সাইফুল ইসলাম সিফাত : চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ নবাগত জিএম কর্মস্থলে যোগদানের পর পরই ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ । গ্রাহকরা রয়েছেন সীমাহীন দূর্ভোগে।

অসহনীয় ভ্যাপসা গরমের পাশাপাশি ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর হাজীগঞ্জ উপজেলা শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ। প্রতিদিন গড়ে ৮/১০ ঘণ্টা লোডশেডিং এর নাম করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ইদানিং রাতের বেলায় ১০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে ১ঘন্টা লোডশেডিং থাকছে। আবার ২০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকছে ৫০মিনিট লোডশেডিং থাকছে।

বিদ্যুতের এই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রশাসনসহ ভিআইপি এলাকা ব্যতিরেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন ফিডারে লোডশেডিং এর মাত্রা বেশী হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকরা রীতিমতো ফুসে উঠছে।

শহর এলাকায় মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যাওয়া-আসার মধ্যে রয়েছে। কিন্তু গ্রামের অবস্থা আরও ভয়াবহ লেজেগোবরে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকরা প্রতিদিন তিন-চার ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এমনকি কখন বিদ্যুৎ থাকবে আর কখন লোডশেডিং হবে তাও জানতে পারছেন না গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচন্ড ভ্যাপসা গরমে শিশুসহ নারী ও বয়স্ক মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে।

এদিকে গরমে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগব্যাধি বাড়ছে। বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এর কারণে বিদ্যুৎ নির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য এখন বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

এ চিত্র চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, কচুয়া অঞ্চলের।

সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ, আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া স্থানীয় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালবাহানার কারণে গ্রাহকরা এ বিভাগের ওপর সম্পূর্ণভাবে আস্থাহীন হয়ে পড়ছেন।

তীব্র গরমে জ্বর, নিউমেনিয়া, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১ এর নবাগত জি এম কেফায়েত উল্লাহ এর যোগদানের পরই চাঁদপুরে বিদ্যুতের এমন চরম লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে বলে জানা যায়।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বিকেল ৩.১০ মিনিটে) লোডশেডিং অব্যাহত ছিলো।

একই রকম খবর

Leave a Comment