নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনার অবদান

জেগেছে বাংলার বহ্নিশিখা, অগ্নি, মাতা, কন্যা, বধূ, জায়া, ভগিনী। বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়নের দেশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধীদলের নেতা নারী। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক নারী। শুধু বাংলাদেশ নয় আমাদের এ উপমহাদেশে নারী শক্তির আরাধনা করা হয়। সার্বজনীন দূর্গাপূজা বলে একটি বড় উৎসব পালন করা হয়। যার অপর নাম নারী শক্তির আবাহন করা। নারী মানেই মা, মা মানে শক্তি।

সকল যন্ত্রণা সহ্য করে যিনি থাকেন সর্বংসহা। ১৫০০ শতকে দিল্লীর সালতানাতে অযোগ্য রুকনউদ্দিনকে পরাজিত করে সিংহাসন আরোহনের মাধ্যমে সুলতান ইলতুৎমিশের কন্যা সুলতানা রাজিয়া নারীর রাষ্ট্র পরিচালনা যে ধারা শুরু করেন তা আজও অব্যাহত আছে। আর এই বাংলায় নারীকে আপন ভাগ্য জয় করার জন্য এসেছেন অনেক মহিয়ষী নারী।

এসেছেন নারী শিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়া। এসেছেন তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলামিত্র, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম কমান্ডার প্রীতিলতা। যারা না এলে নারীর ক্ষমতায়নের স্বপ্ন অধরা থেকে যেত। এমন কি বাংলাদেশ কখনও স্বাধীন হত না যদি না অগণিত বীর মাতা তাদের সন্তানকে দেশের জন্য উৎসর্গ না করতেন।

আর তাদেরই উত্তরসুরী আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সামনে যত ক্ষমতাবান দেশের রাষ্ট্রনায়করা থাকুন না কেন আমাদের হাসু বুবুর মেরুদÐ থাকে সোজা, মাথা থাকে উঁচু।

যাঁর হাত ধরে বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন বিস্তার লাভ করেছে, প্রসারতা লাভ করেছে। আজকে বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন ঈর্ষণীয় ও সারা পৃথিবীতে একটি উদাহরণ। শেখ হাসিনার মন্ত্রীপরিষদের মত এত নারীমন্ত্রী আর এমপি পৃথিবীর কোন ক্ষমতাবান দেশেও নেই।

গণতন্ত্রের এ মানসকন্যা বাংলার নারীকে এনে দিয়েছেন যুগান্তকারী সম্মান। ফলে বাংলাদেশের মানুষকে বিশ^বাসী এখন শ্রদ্ধা আর বিস্ময়ের চোখে দেখে থাকে। ২০০৮ সালে জনগণের বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক জয় লাভ করার পর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। অনেক অর্জনও তাঁর রয়েছে। যার অন্যতম একটি হচ্ছে নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা। তাই ভাবলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফলতার এ ক্ষেত্রটি আপনাদের সামনে তুলে ধরি।

জননেত্রী শেখ হাসিনা যখনই ক্ষমতায় এসেছেন নারীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন। একজন নারী হয়ে তিনি অনুভব করেছেন নারীকে পশ্চাদপদ রেখে বাংলাদেশ কোনোভাবেই এগিয়ে যেতে পারে না। কারণ দেশের অর্ধেক জনসংখ্যাই নারী। নারী উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন তাদেরকে যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান করা। শেখ হাসিনা বুঝেছেন যে, নারীরা শিক্ষিত না হলে তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে না। তাই অবৈতনিক নারী শিক্ষা চালু করেন। বাল্যবিবাহ বন্ধ আইন চালু করা, এসিড সন্ত্রাসের মত ভয়াবহ অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডে শাস্তি বিধান দেয়া, ইভটিজিং আইন প্রণয়ন করে নারীর উন্নয়নের পথের সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করেছেন। ফলে এখন বাল্যবিয়ের হার অনেকক্ষেত্রেই কমে এসেছে এবং যার কারণে মাতৃমৃত্যুও বহু অংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এসিড সন্ত্রাসের মত ভয়াবহ অপরাধ সমাজে এখন আর নেই। ইভটিজিংয়ের মত সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। শেখ হাসিনা সরকার প্রণয়ন করেছে যৌতুকবিরোধী আইন। এখন যৌতুক নেয়া দেয়া দুটাই অপরাধ। এ দেশের কোন মেয়ে আর যৌতুকের বলি হয় না।

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনের শাসন জোরদার এবং নারী সুরক্ষায় নতুন নতুন আইন পাস করেছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। কুসংস্কার আচ্ছন্ন, অসচেতন নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন। সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা সরকার নারী শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। যার কারণে নারীদের বিদ্যালয়ে আসার হার বেড়েছে, পাসের হার বেড়েছে, চাকুরিতে অংশগ্রহণের হার বেড়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় পত্রিকায় একটি পরিসংখ্যান দেখে আমি খুব আনন্দিত হয়েছি। পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ৫১% ছাত্রী। মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৪% ছাত্রী, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪৮.৩৮% ছাত্রী পড়াশোনা করছে। সার্বিক হিসেবে প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত মোট ছাত্র-ছাত্রীর ৫০.৫৪% হলো ছাত্রী। শুধু এই পরিসংখ্যান দেখলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, বর্তমান বাংলাদেশে নারীরা শিক্ষাক্ষেত্রে বহুদূর এগিয়েছে, এবং অনেকক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়েও অগ্রগামী হয়েছে, যেটি উন্নয়নশীল দেশেও সম্ভব হয়নি। পরিসংখ্যান পড়ে আনন্দ আরো বেড়ে গেছে যখন দেখলাম ছাত্রীরা অনেক ভালো রেজাল্ট করেছে। ২০১৭ সালের পিএসসি পরীক্ষায় ৯৫.৪০% ছাত্রী পাস করেছে আর ছাত্র পাস করেছে ৯৪.৯৩%। প্রতিবছর ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা জিপিএ-৫ বেশি পাচ্ছে।

নারীদের প্রতি বৈষম্য রোধ করে তাদেরকে উন্নতির দিকে পরিচালিত করতে শেখ হাসিনা সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে পারিবারিক সহিংসতা (দমন ও নিরাপত্তা) আইন পাস করেছে। ২০১১ সালে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি’ পাস করেছে। বাল্যবিবাহ রোধের জন্য ২০১৭ সালে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন পাস করা হয়। সরকার ২০১১ সালে দেশের প্রথম স্বতন্ত্র নারী আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন) গঠন করে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে হেল্প লাইন খোলা হয়।

সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫টি বৃদ্ধি করা হয়েছে, বর্তমানে তাই সংরক্ষিত নারী আসন হয়েছে ৫০টি। বর্তমান সংসদে ৭২ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। এঁদের মধ্যে ২২ জন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের সংসদে স্পিকার, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা চার জনই নারী, এটি পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে নেই। সরকার স্থানীয়ভাবেও নারী নেতৃত্বের প্রতি নজর দিয়েছে। সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সারাদেশে ১২ হাজারের বেশি জনপ্রতিনিধি প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের পরিসংখ্যান মতে, ১৪৪টি দেশের মধ্যে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৭তম। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে। আবার নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নেও বাংলাদেশের যথেষ্ট অগ্রগতি করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। ১৫৫টি দেশের মধ্যে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

জননেত্রী শেখ হাসিনা নারীদের কর্মক্ষেত্রের পথ সুগম করেছেন। ফলে সরকারি বেসরকারি চাকুরিতে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক বেড়েছে। এ সরকারের আমলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথম নারী মেজর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুসানে গীতি। বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পুলিশ সপ্তাহের প্যারেডে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে সচিব ও সমমর্যাদার পদে ১০ জন নারী কর্মরত আছেন। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার পদেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী কাজ করছেন।

সারাদেশে শতাধিক নারী ইউএনও এবং এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে ১ হাজার ২৭৭ জনই নারী। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে সরকারি চাকরিতে ২ লাখ ২৭ হাজার ১১৪ জন নারী কর্মরত ছিলেন। ২০১৬ সালে যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ২০৬ জনে। ৫ বছরে নারী সরকারি চাকুরিজীবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯২ জন। নারী চাকুরিজীবীদের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার সংখ্যা ২৭ হাজার ৪৬০ জন। আমাদের রেমিটেন্স আয়ের প্রধান উৎস গার্মেন্টস্ সেক্টরে ৪০ লক্ষ নারী কর্মরত আছে। সরকার মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করেছে।

মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সারাদেশে প্রায় ১৩ হাজার মাতৃস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছা ও নানা উদ্যোগে বর্তমানে নারী চাকুরিজীবীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে, ভবিষ্যতেও পাবে। নারীদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে সরকার। নারী উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের নারীদের প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জনের সহায়তার জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন শেখ হাসিনা সরকার। ফলে বর্তমানে কয়েক হাজার নারী উদ্যোক্তা সফলভাবে পরিবার ও দেশের জন্য আয় করতে সমর্থ হয়েছেন। সরকার বর্তমানে সফল নারী উদ্যোক্তাদের পুরস্কৃত ও সম্মানিত করছে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বর্তমানে দেশে জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ কাজ চলছে। ঢাকার ধানমন্ডিতে প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ তলা বিশিষ্ট এ টাওয়ার নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে কাজ করবে। এটিও বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এবছরের এপ্রিলে জয়িতা টাওয়ার প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছেন সরকার।

ফুটবল, ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে নারীরা জয় এনে দিয়েছে। এভারেস্ট জয় করেছেন বাংলার নারী। মৌলবাদী শক্তির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা যদি ক্রীড়া ও সংষ্কৃতির ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা না করতেন তাহলে এ অর্জন সম্ভব হত না। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সাফল্যের সাথে কাজ করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের সার্বিক নারী উন্নয়নের জন্য বিশ^নেতারা এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন। জাতিসংঘও শেখ হাসিনাকে নারী উন্নয়নের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। নারী ক্ষমতায়ন অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় বাজেটে প্রতিবছরই বরাদ্দ বৃদ্ধি করে গেছেন। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটে নারী উন্নয়নের জন্য ১ লক্ষ ১২ হাজার ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। এটি মোট বাজেটের ২৭.৯৯%। এ বিশাল বরাদ্দ থেকেই বুঝা যায়, শেখ হাসিনা নারীদের উন্নয়নকে কত গুরুত্ব দিয়েছেন। নারী ক্ষমতায়নের উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য দেশরতœ শেখ হাসিনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক পুরস্কার ইউএন উইমেন ‘প্লানেট ৫০ : ৫০ চ্যাম্পিয়ন’, ‘গেøাবাল পার্টনারশিপ ফোরাম এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ উল্লেখযোগ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে বুলগেরিয়ায় অনুষ্ঠিত গেøাবাল উইমেন লিডারস ফোরামে প্রধান অতিথি ও মূলবক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে গেøাবাল উইমেন্স লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। এই সম্মান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার, এ সম্মান বাংলাদেশের, এই সম্মান বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের।

নারী ক্ষমতায়নের ভূস্বর্গ আমার দেশ। শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলার নারীরা আরো এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি। নারী উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সবাই বিশেষ করে নারীরা আগামী একাদশ জাতিয় নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিন। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে আবারো সরকার গঠনের সুযোগ দিন।

‘‘রুপং দেহি জয়ংদেহি ইয়াশ দেহি দিশ জাহী।” এ শ্লোকটির সাথে মিল রেখে বলতে চাই জয়তু বাংলার নারী শক্তি, জয়তু শেখ হাসিনা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয়হোক বাংলার মেহনতি মানুষের।

অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মাদ হাসান খান; সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, চাঁদপুর জেলা।

একই রকম খবর

Leave a Comment