পশ্চিম সেকদিতে প্রবাসীর সাথে পরকীয়া অতঃপর বিয়ে

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরে দুবাই প্রবাসীর সাথে পরকীয়ার পর গোপনে ঢাকায় গিয়ে ১২ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর প্রবাসী শেখ মাহবুব আলম তার পরকীয়া স্ত্রীকে রেখে উধাও হয়ে যায়।

বিবাহিতা স্বামীকে না পেয়ে শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম সেকদি গ্রামের প্রেমিক শেখ মাহবুব আলমের বাড়িতে অনশন শুরু করেন তার প্রেমিকা সোনিয়া। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অনশনরত সোনিয়া জানান, এক বছর ধরে স্থানীয় সহিদ উল্যাহর ছেলে মাহাবুব আলমের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিভিন্ন সময়ে তাকে নিয়ে নানা স্থানে রাখে প্রবাসী মাহাবুব। বিয়ের প্রলোভনে দিয়ে কক্সবাজার হোটেলে নিয়ে জোরপূর্বক দৈহিক সম্পর্কেও জড়াতে বাধ্য করে। পরে বিয়ের জন্য বলার পর সে ঢাকায় এনে কাজীর মাধ্যমে ১২ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে।
বিয়ের কিছুদিন পরে ঢাকায় রেখে চলে আসে।

পরে ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। স্বামীর অধিকার পেতে প্রবাসীর বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজন একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করে এবং জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

বাগাদী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মনির মেম্বার জানায়, মেয়েটি খুব অসহায় তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রথমে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।পরে বিয়ে করলেও প্রবাসী শেখ মাহবুব আলম তাকে স্বামীর স্বীকৃতি না দিয়ে চলে যেতে বলে।

মেয়েটির প্রবাসী শেখ মাহবুব আলমের বাড়িতে যাওয়ার পর তার পরিবারের লোকজন সোনিয়াকে মারধর করে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে ঘটনাস্থল এনে মেয়েটাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এই ঘটনায় তার পরিবারের লোকজন তাকে পরিচয় না দেওয়ায় সে এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

গত ১৫ নভেম্বর চাঁদপুর মডেল থানায় নারী ও নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করলেও মামলার প্রধান আসামি স্বামী প্রবাসী মাহাবুব রহমানেকে এখনো পুলিশ আটক করেনি।

এব্যাপারে প্রবাসী মাহাবুব রহমানের পিতা বাবা সহিদ উল্যাহ সাংবাদিদের জানান, আমার ছেলে বাড়ীতে নেই। কিন্তু এই মেয়েটি এসে আমার বসতঘরে ঢুকার পরে আমি থানায় খবর দেই।

পরে সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ সন্ধ্যায় এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ নিয়ে যায়।
চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক পলাশ বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করি। বর্তমানে উভয় পক্ষ বর্তমানে থানায় আছে।

একই রকম খবর