এক যুগে পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠছে দৈনিক চাঁদপুর খবর

…………… মাসুদ হোসেন ……………..

সংবাদপত্রকে বলা হয় সমাজের দর্পণ বা আয়না। সংবাদপত্র কী? সোজা কথায়, যে পত্রে সংবাদ লেখা থাকে তাই সংবাদপত্র। বর্তমানের প্রতিচ্ছবি দেখা যায় সংবাদপত্রে বা খবরের কাগজে- ঠিক এখন আমাদের চারপাশটা কেমন তা দেখা যায় কাগজের পাতায় ছাপা অক্ষরে। যেমনটা দেখতে পাই আমরা আয়নায়, এ মুহূর্তে কেমন দেখাচ্ছে আমাকে। সমসাময়িক ঘটনাগুলো নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরাই সংবাদপত্রের কাজ। এমনি ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশের প্রথম ব্রান্ডিং জেলা ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর জেলা শহর থেকে নিয়মিত প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দৈনিক চাঁদপুর খবর।

শত ব্যস্ততা নিয়ে দিন শুরু হলেও সকালের তাজা খবরে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে ভোলেন না পত্রিকা পাঠকরা। তারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের নিশ্চয়তায় হাতে তুলে নেন দৈনিক চাঁদপুর খবর। পাঠকের প্রিয় এই পত্রিকাটি দীর্ঘ ১০ বছর সাপ্তাহিক ও ২ বছর দৈনিক, সবমিলিয়ে ১ যুগ অতিক্রম করছে। আজ ২৩ ডিসেম্বর। অসংখ্য পাঠক আর শুভানুধ্যায়ীদের মন জয় করে চাঁদপুর খবর ১২ বছর পূর্ণ করে ১৩ বর্ষে পা রাখছে। পত্রিকাটির নিরবিচ্ছিন্ন প্রকাশনার ১২ বছরে পাঠক সমাজের উৎসাহ আর প্রেরণা ছিল মুখ্য। গত বারো বছরে চাঁদপুর খবরকে চাঁদপুরবাসী গ্রহণ করেছে পরম মমতায় আর ভালোবাসায়। আধুনিক সংবাদপত্রের ভূমিকায় পত্রিকাটি ছিলো অটল। মানুষের প্রিয় দৈনিক চাঁদপুর খবরের এই পাঠকপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে বলে জানান জেলার কয়েকজন হকার। জনপ্রিয় হওয়ায় মেটানো যাচ্ছে না পাঠকের চাহিদা। বর্তমান ছাপার সংখ্যা থেকে আরও চাহিদার কথা জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকাসংবাদপত্র এজেন্ট ও হকাররা।

চাঁদপুর খবর চাহিদার কারণ, অল্প কথায় জেলার মূল সংবাদ থাকে। উঠে আসে প্রত্যন্ত এলাকায় ঘটে যাওয়া সর্বশেষ দৈনন্দিন খবর। এছাড়াও জেলার বাহিরে থাকা দেশ ও বিদেশে অবস্থানকারী মানুষ পাঠকপ্রিয় এই পত্রিকাটির অনলাইন ভার্সন িি.িপযধহফঢ়ঁৎশযধনধৎ.পড়স থাকায় ইন্টারনেটে জানতে পারে জেলার গুরুত্বপূর্ণ সব খবর। গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা।

এর পাশাপাশি পত্রিকাটির সপ্ট কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখতে পান পাঠক ও ব্যবহারকারীরা। জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা চিহ্নিত করে পাঠকের প্রত্যাশা মিটিয়েছে পত্রিকা। চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় কর্মরত চাঁদপুর খবরের কলম সৈনিক প্রতিবেদকরা এবং বার্তা কার্যালয়ে কর্মরত সম্পাদকসহ সংবাদকর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে এগিয়ে নিচ্ছে দৈনিক চাঁদপুর খবরকে।

সব মিলিয়ে বৃহৎ প্রকাশনা শিল্পের প্রাপ্তি কোনোভাবেই কম নয়। অবিরাম পথচলায় শুরু থেকেই পেয়ে আসা পত্রিকার অসংখ্য পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, এজেন্ট এবং সংবাদপত্রসেবীর শুভ কামনা অব্যাহত থাকবে এই মাহেন্দ্রক্ষণে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

একই রকম খবর

Leave a Comment