ফরক্কাবাদে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনিষ্টকারীদের প্রতিবাদে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুর সদর উপজেলার ফরক্কাবাদে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নামে ফেরারী আসামি হাসান খান ও জাল সনদধারী,মামলাবাজ,শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনিষ্টকারী জাহাঙ্গীর হোসেন গং ও এদের মদদদাতাদের অশুভ তৎপরতা এবং মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে ফরক্কাবাদ কলেজ, ফরক্কাবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়,ফরক্কাবাদ বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকা বাসীর ব্যানারে ফরক্কাবাদ কলেজের সামনে থেকে শুরু করে ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পর্যন্ত এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ফরক্কাবাদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান ও মহিনউদ্দিনের পরিচলনায় বক্তব্য রাখেন ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজর পরিচালনা পরিষদের সদস্য মুক্তিযুদ্ধা আমিনুল হক বিএসসি, ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দীলিপ চন্দ্র দাস, ফরক্কাবাদ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল্যাহ মিয়াজী, এলাকাবাসীর পক্ষে রুহুল আমিন মিজি, ফরক্কবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ফখরুল ইসলাম, ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হান্নান মিজায়ী, কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবিএম শাহআলম টিপু, রেজাউল ইসলাম, শেখ খাদিজা বেগম, সালাউদ্দিন, একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিলা আক্তার।

বক্তারা বলেন, আপনারা জানেন ২০১৯ সালে আয়শা খন্দকার নামে একটি ফ্যাক আইডি খোলে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, সূজিত রায় নন্দীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। পরবর্তীতে কলেজ থেকে তাদেরকে পুলিশ হাতেনাতে আটক করে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জালসার্টিপিকেটধারী জাহাঙ্গীর গংরা অপপ্রচার চালাচ্ছে।আমরা চাই এই দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে যেন প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান রক্ষা করা হয়।এরা চিহ্নিত চক্রটি দীর্ঘদিন এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে।তাদের আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এদিকে, হাসান খান নামে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় কয়েকজন জানান, তারা ড.মোঃ হাসান খানকে চিনেন যিনি ফরক্কাবাদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন। তিনি একটা মামলা করেছেন সেই মামলাটি চলমান রয়েছে।

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তিনি কোন মামলা করেন নাই। ফরাক্কাবাদ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে সেটি সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় মামলা।

একই রকম খবর