ফরিদগঞ্জে খননযন্ত্রে বালু উত্তোলন চলছেই : নিরব ভূমিকায় প্রশাসন

এস এম ইকবাল, ফরিদগঞ্জ : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে ডাকাতিয়া নদীতে ১ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করলেও নিরব ভূমিকায় রয়েছে প্রশাসন। বালু ব্যবসায়ীর ইচ্ছেমত অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করায়, হুমকির মুখে রয়েছে সিআইপি বেড়িবাঁধ, বসত বাড়ি ও ফসলী জমি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের গল্লাক বাজার দক্ষিন পাশের্^ আয়শা ব্রিক ফিল্ড সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে অবৈধ ড্রেজিং চলছেই। এদিকে অবৈধ ড্রেজিং বন্ধে কঠিন আইনের বিধান থাকলেও মানছে না কেহই এবং আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতাই কি অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বৈধতার কারণ? এমনটাই মনে করছে সচেতন মহল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের যোগসাজশ ও আর্থিক সুবিধা দিয়েই চলছে এ ড্রেজার।

গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস ছাত্তার জানান, আমি এই ড্রেজার থেকে কোন ধরনের সুবিধা গ্রহন করিনাই। এই ড্রেজারের সাথে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ছেলে, বাজার ব্যবসায়ী খোকন আখন্দ, ইউপি সদস্য ইমান হোসেন জড়িত থাকায় তারা আমার কথায় কোন তোয়াক্কা করেনি। আমি এ বিষয়ে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

এ বিষয়ে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান পাটওয়ারী বলেন, ডাকাতিয়া নদীর পাশে নিজ জমি থেকে ড্রেজার চলছে এতে সমস্যা কি? তবে ড্রেজার চলা যে নিষিদ্ধ তা আমার জানা নেই। তবে স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উক্ত ড্রেজারের মালিক ইকবাল হোসেন পাশর্^বর্তী রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্ধা এবং চেয়ারম্যান শাহাজাহান পাটওয়ারীর শ্যালক।
ড্রেজার চলার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমুন নেছাকে অবগত করলেও তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেন নাই।

ড্রেজিংয়ের বিষয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোবাইল ফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান, আমি ড্রেজারের বিষয়ে অবগত হয়েছি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছি।

একই রকম খবর