ফরিদগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

এস.এম ইকবাল: হাজত থেকে বেরিয়ে গিয়েই পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে আটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি একাধীক মাদক মামলার আসামী। এর পূর্বে হাজত খেটেছেন একাধীকবার।

ফরিদগঞ্জ পৌর সদরের দাস বাড়ির বিশ^জিত নামের এ অভিযুক্তকে গতকাল দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাত প্রায় ১২ ঘটিকা। স্থানীয় দাস বাড়ি ও ওই এলাকার বাসিন্দা শ্রী যুবরাজ চন্দ্র দাস এর পুত্র শ্রী বিশ^জিত দাস (২৫) ও মৃত প্রাণ গোপাল দাস এর পুত্র শ্রী কৃষ্ণ দাস (৩৮)সহ ইয়াবা ট্যাবলেট বহন করছিলেন।

তারা দু’জন ফরিদগঞ্জ বাজার থেকে দাসপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস.আই. উনু মংসহ পুলিশ এর তিন সদস্য উপস্থিত হয়ে থানা বাউন্ডারির পাশের্^ জনৈক মোস্তফা ভিলার সামনে তাদের দাঁড়াতে বলে। পুলিশের ডাক উপক্ষো করে অভিযুক্ত দু’জন দৌড় দেয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ দ্রুত তাদের দু’জনকে ধরে ফেলে। এ সময় বিশ^জিত দাস পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হন।

প্রায় ত্রিশ মিনিট ধস্তাধস্তি চলে। এ সময় বিশ^জিত এর আক্রমণে পুলিশের এ.এস.আই. রবিউল আলম গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত সত্ত্বেও এ.এস.আই. রবিউল অভিযুক্তকে ধরে রেখে চিৎকার দেন এবং পথচারীদের সাহায্য চান। কয়েকজন পথচারী সাহায্য করতে এগিয়ে যান।

এদিকে, খবর পেয়ে থানা থেকে এস.আই. নাছির উদ্দিন, এস.আই. নাজমুল হোসেন, এ.এস.আই. ইলিয়াস উদ্দিন, কনস্টেবল এমরাণ হোসেনসহ ৫-৬ জন পুলিশ সদস্য ছুটে যান। তারা বিশ^জিত দাসকে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে থানায় নিয়ে যান। আহত রবিউল আলমকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।

এদিকে, আহত এ.এস.আই. রবিউল আলমসহ তিন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় অপর অভিযুক্ত শ্রী কৃষ্ণ দাস দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এদিকে, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দু’জন ইয়াবা ট্যাবলেট বহন করছিলো। তাদের নামে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিশ^জিত এর কাছে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া গেছে। তিনি একাধীক মাদক মামলার আসামী ও একাধীকবার হাজত খেটেছেন।

একই রকম খবর