বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা

‘জন্মদিন আসে বারে বারে
মনে করাবারে
এ জীবন নিত্যই নূতন
প্রতিপ্রাতে আলোকিত
পুলকিত দিনের মতন।’

আজ এক মহিয়সী রমনীর জন্মদিন, যিনি দেশের হাল না ধরলে বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি থাকতো। বাংলাদেশ হত দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। রাজাকারদের গাড়িতে উঠতো লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত লাল-সবুজ পতাকা। বাংলাদেশ হতো আরেকটি পাকিস্তান।

৭৫-এর পর দুই দশকের বাংলাদেশ যেন পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের রাজত্ব। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহাকালের ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনো জন্মদিন উদযাপন করেননি। স্বাধীনতার পর ’৭২-এর ১৭ মার্চ জন্মদিন উদযাপনের কথা বলা হলে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, যে দেশে অধিকাংশ মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটায় সে দেশে শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনের উৎসব করতে পারে না, করবে না।

পিতার মতোই কন্যা শেখ হাসিনাও কোনোদিন ঘটা করে জন্মদিন উদযাপন করেননি। জন্মদিন উদযাপনের প্রশ্ন এলে মনে পড়ে বাবা-মা, ভাই, ভ্রাতৃবধূ, ছোট ভাই শেখ রাসেলের কথা, মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

আজ গণতন্ত্রের মানসপৌত্রী ক্ষমতায়। তাই দুঃসময় কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন ও অগ্রগতির মডেল হিসাবে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত। আর এ অর্জনের সম্পূর্ণ অবদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। তাঁর নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় গর্বিত ১৮ কোটি মানুষ। তার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে উঠেছে।

টানা ২ বছর ধরে কোভিড-১৯ বা করোনার অদৃশ্য ছোবল। দিনে দিনে প্রাণহানি শত শত। কোভিডের কারণে মেগা প্রকল্পগুলোর কাজের অসংগতি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বোঝা, মিডিয়ার নামে ইউটিউব-অনলাইনের নোংরামি বাড়াবাড়ি, এর মধ্যেও যে মানুষ এতটুকু হতাশ নন বরং স্বাধীনতা স্তম্ভ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ কিংবা স্ট্যাচু অফ লিবার্টির মতো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন, সম্মুখে এগিয়ে চলেছেন বিরামহীন আপন আদর্শে, আপন লক্ষ্যে, তিনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের কাছে সফল রাষ্ট্রনেতা শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাকালে বিদেশে থাকায় বেঁচে যাওয়া দুই কন্যার জ্যেষ্ঠ তিনি। আধুনিক উন্নয়নশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, কন্যা ঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবিলা করে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছেন।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষির উপর ৮০ ভাগ মানুষ নির্ভরশীল। দূরদর্শি নেত্রী শেখ হাসিনা তাই শুরু থেকেই কৃষি ব্যবস্থার উপর জোর দিয়েছেন। কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার কারণে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পন্ন। বঙ্গবন্ধু দেশের প্রথম বাজেটে ৫০১ কোটি টাকার মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ রেখেছিলেন ১০৩ কোটি টাকা। তিনি সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন।

১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। তখন দেশে ৪০ লক্ষ টন খাদ্য ঘাটতি ছিলো। ২০০৮ সালে দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিলো ২৬ লক্ষ টন। শেখ হাসিনা দেশের খাদ্য ঘাটতি দূর করতে দূরদর্শি বিভিন্ন পরিকল্পনা করেন। এর মধ্যে কৃষিখাতকে আধুনিকায়ন করা, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান, সারের দাম কমানো, কৃষি গবেষণা বৃদ্ধি, কৃষকদের জন্য ঋণ ব্যবস্থা সহজ করা, প্রযুক্তির ব্যবহার, উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য।

২০০৮-২০০৯ সালে দেশে মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিলো ৩২৮.৯৫ লক্ষ টন। ২০১৯-২০২০ সালে বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে মোট ৪৩২.১৫ লক্ষ টন। অর্থাৎ গত দশ-এগারো বছরে ১০৩.২ লক্ষ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন বেশি হয়েছে। দেশজ আয়ের ১৪.১ শতাংশ আসে কৃষিখাত থেকে। যে দেশে একসময় দুর্ভিক্ষ হতো, অনাহারে থাকতো হাজার হাজার মানুষ, জননেত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে সে দেশে এখন দুর্ভিক্ষ অকল্পনীয় ব্যাপার। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও বাংলাদেশের কৃষিখাতের উন্নয়ন হয়েছে। কৃষিখাতে অবদানের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ ‘সেরেস’ পদক প্রদান করেছে।

বিদ্যুতখাতে দেশ এখন স্বয়ংসম্পন্ন। গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে ৭৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম ৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। শতভাগ বিদ্যুতায়নের পথে এখন দেশ।

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শেখ হাসিনা জানেন, জনগণকে সুশিক্ষিত না করা গেলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তাঁর সরকার বরাবরই শিক্ষা ব্যবস্থার উপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দিয়েছেন তিনি। এই উদ্যোগ সারাবিশ্বে প্রশংসিত। কেবল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ২৬ কোটি ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেওয়া হয়েছে। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে স্কুলে শিশু ভর্তির হার ছিলো ৬১ ভাগ। এখন সেটি ৯৭.৭ ভাগেরও বেশি। সরকার এখন শতভাগ শিশুকে স্কুলমুখী করতে বৃত্তি প্রদান, মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করেছে। গত তিন বছরে ২৯৯টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৯ সালে ২,৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ছিলো প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গত ১২ বছরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে অভাবনীয়। ফলে প্রতি বছরই বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার কমছে। স্বাধীনতার ৪০ বছরেও পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি ছিলো না। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার জাতিকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি উপহার দিয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার সৃজনশীল পাঠ্যক্রম ও কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভরতা বেড়েছে। একসময় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিলো নকলের স্বর্গরাজ্য। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নকল বিদায় নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যার নির্দেশনায় শিক্ষাখাতের উন্নয়নে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি নিরলস কাজ করছেন। আশা করা যায়, খুব দ্রুতই শিক্ষাখাতের আরো উন্নয়ন হবে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। এই ৫০ বছরে দেশের চিকিৎসাখাত অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরে স্বাস্থ্যখাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এত স্বল্প খরচে পৃথিবীর কম দেশেই চিকিৎসা সেবা প্রদাান করা হয়। পুষ্টি উন্নয়ন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, টিকা কার্যক্রম, শিশু মৃত্যুহার কমানো, কমিউনিটি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বাংলাদেশ রোল মডেল। কোভিড চিকিৎসায় দেশে সকল মানুষের ওষুধ নিশ্চিত করে বিদেশে রেমডিসিভির ইনজেকশন প্রায় ৫০০ কোটি টাকা রপ্তানি করা হয়। বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল “ল্যানসেট” ২০১৩ সালে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সাফল্যকে “এশিয়ার বিস্ময়” বলে আখ্যায়িত করেছে। তবে স্বাস্থ্যখাত ব্যবস্থাপনার আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন।

বাংলাদেশ এখন তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সমৃদ্ধ দেশ। শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছিলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রযুক্তিবান্ধব হওয়ার বিকল্প নেই। তাই বহু আগেই প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এ কাজে তাঁকে সহযোগিতা করছেন তাঁরই সুযোগ্য পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারণে এখন সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন। ইন্টারনেট সুবিধাও গ্রামে-গঞ্জে পৌঁছে যাওয়ার ফলে পৃথিবী এখন সবার হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষক গ্রামে বসেই খাদ্যশস্যের দরদাম জানতে পারছেন, অসুস্থ হলে টেলিফোনে সেবা নিতে পারছেন, জরুরি প্রয়োজনে বা দুর্ঘটনায় হেল্পলাইনে কল দিয়ে সহযোগিতা নিতে পারছেন। এখন হাতের নাগালেই সবকিছু। তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষে আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে, সাধারণ মানুষের মনে সচেতনতা জাগ্রত হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবেলায় তরুণদের গড়ে তুলছেন। এই তরুণরা একদিন ডিজিটাল বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে।

২০২০ সালে করোনা মহামারি দেখা দেয়। আমেরিকা, স্পেন-সহ অনেক উন্নত দেশ যেখানে করোনা মহামারি সামাল দিতে পারেনি সেখানে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বে উন্নয়নশীল বাংলাদেশ করোনা মহামারির বিপর্যয় অবস্থা কাটিয়ে উঠেছে। বড় বড় দেশের অর্থনীতি ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল বিধায় পদ্মাসেতুর মত বড় কাজ করোনার মধ্যেও চলেছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি না থাকলে পদ্মাসেতুর কাজ চলমান রাখা সম্ভব হতো না। শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছিলেন করোনা টিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, তাই তিনি বাংলাদেশের জন্য টিকা কিনতে অগ্রিম বিনিয়োগ করেছেন। ফলে অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক আগেই টিকা পেয়েছে।

রাজাকাররা যেমন দেশের শত্রু, বঙ্গবন্ধুর ঘাতকরাও দেশের শত্রু। এরা থাকলে দেশেরই ক্ষতি হতো। বিএনপি সরকারের সময় রাজাকাররা উচ্চপদে আসীন ছিলো। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। বিচার করেছেন বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের। আদালতের রায়ে তাদের ফাঁসি হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতি কলংকমুক্ত হলো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বৈদেশিক শক্তির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা এই মহান দায়িত্ব পালন করেছেন। যোগ্য নেতার যোগ্য কন্যা তিনি, এমন সাহস, নেতৃত্ব ও ত্যাগ তাঁকেই মানায়।

পদ্মাসেতু থেকে যখন বিশ্বব্যাংক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল তখন তিনিই বলিষ্ঠভাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়নে হবে, যা হয়েছে। তিনি যা বলেছেন তা করে দেখিয়েছেন। আমাদের রিজার্ভ প্রতি বছর বাড়ছে। বর্তমানে দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, সেখানে শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়ন করেনি। তাই বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে আর দেরি নেই।

এই লেখার শুরুতে বলেছিলাম আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছেন যা আমাদের গৌরবের বিষয়। শেখ হাসিনাকে নিয়ে এখন বিশ্ব নেতারা গর্ব ও সম্মান করে।

বঙ্গবন্ধুর পরে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে খ্যাতিমান হয়েছেন, আর কেউ হননি। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নারী নেত্রী আমাদের বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এই গৌরব আমাদের, তিনি বাংলাদেশের গৌরব।

আজ ২৮ সেপ্টেম্বর তার ৭৮তম জন্মদিন। প্রিয় নেত্রী আপনি আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন। প্রার্থনা করি আপনি সুস্থ থাকুন, দীর্ঘজীবী হোন। স্বজন হারানোর বুক ভরা বেদনা নিয়েও আপনি যেভাবে জাতির সেবা করে চলছেন, তা আজ কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী অনুকরণীয়। আমরা বাংলাদেশের নাগরিকরাও আপনার গর্বে গর্বিত। আপনার কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আপনার জন্মদিন শুভ হোক, বারবার বহুবার আসুক। যদিও ভালবাসার মানুষের আলাদা করে জন্মদিবস থাকে না, প্রতিদিনই তাদের জন্মদিন।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখকঃ  ড. মোহাম্মদ হাসান খান
সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, চাঁদপুর জেলা।
মোবাইল নং ০১৭১৩০০৭৭৮৭

 

একই রকম খবর