বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনে পানি উন্নয়ন বোর্ড

স্টাফ রির্পোটার : বিষ্ণুপুরে মেঘনা ধনাগোদা নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গতকাল ৫ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মেঘনা ধনাগোদা নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করা হয়।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দামোদরদী মিয়ার বাজার হইতে বড়দিয়া আরং বাজার গুদারা ঘাট পর্যন্ত ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন, ঢাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের রিচার্জ সুপারেন্টেন্ডে সেলিম গাজী, চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল, চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন।

নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনকালে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই এলাকার নদী ভাঙ্গনের ব্যাপারে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প নিতে গেলে সময়ের ব্যাপার। আপাতত আমরা স্বল্পমেয়াদী প্রকল্পের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নিবো। পরবর্তীতে শুকনা মৌসুমে কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করে মেঘনা ধনাগোদা নদী ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ করা।

১নং বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামিম বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ মেঘনা ধনাগোদা নদীর এ এলাকায় ভাঙ্গনের ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমনে এলাকার মানুষ আশ্বস্ত হয়েছে। তবে কোন লোক দেখানো নয়, নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে সমাধানের কাজ করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ১নং বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন খান শামিম, প্রধান সমন্বয় শাহ মোঃ আজিজুর রহমান পটু, ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার দুলাল বেপারী, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহ মোঃ জাবেদ, ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার আঃ রহিম কাজী, ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার সোহেল খান, সদর উপজেলা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো:সোহেব এমরান (পারী) প্রমুখ।

এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবির পাটওয়ারী, আলী আজগর খান, সুমন পাটওয়ারী, রুহুল আমিন ঢালী সহ নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

একই রকম খবর