মতলব উত্তরে ইপিআই ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়া’র বিরুদ্ধে বাড়িতে গিয়ে টিকাদানের অভিযোগ

মতলব উত্তর সংবাদদাতা : মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়া’র বিরুদ্ধে বাড়িতে গিয়ে টিকা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করার পর থেকেই টিকা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ শোনা যাচ্ছিলো। লোকমুখে জানা গেছে, ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাড়িতে গিয়ে করোনা টিকা প্রদান করে।

সম্প্রতি মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে শামীম হোসেন নামে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে সন্ধ্যার পর বেশ ক’জনকে টিকা প্রদান করে। ছাত্রলীগ নেতা অতি উৎসায়ী হয়ে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক আইডিতে শামীম হোসেন টিকা নেয়ার ছবি পোস্ট করে। ফেইসবুক আইডির বিভিন্ন বন্ধুরা নানা রকম প্রতিক্রিয়া লেখার পরে তা ডিলেট করে দেয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত টিকা প্রদানের বিধান থাকলেও তিনি দিয়েছেন রাতের বেলায়।

১৯ আগস্ট ও ২২ আগস্ট মতলব উত্তর উপজেলার মরাদন ও ঠাকুরচর গ্রামে বাড়িতে গিয়ে অর্থের বিনিময়ে টিকা প্রদান করায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে পোর্টার জাকিরকে। তবে জাকিরের এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তারা মনে করছে, পোর্টার জাকির হচ্ছে বাহক। টিকা রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়ার। তার সহযোগিতা ছাড়া জাকির টিকা বাইরে বিক্রি করেতে পারে না। অথচ জাকির সাময়িক বরখাস্ত হলেও তার মূল হোতা ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়া ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

এ সব ঘটনা জানাজানির পর বিভিন্ন মহল থেকে ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার রুইতার গ্রামের ফকরুল আলম জানান, রেজিষ্ট্রেশন করার ১ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তার মোবাইলে মেসেজ আসছে না। ইমামপুর গ্রামের সোহেল আহমেদ জানান, মেসেজ আসার পর ২ বার গিয়েও টিকা মিলেনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভাষান চন্দ্র কীর্ত্তনিয়া সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. নুসরাত জাহান মিথেনকে ফোন দিলেও তা রিসিভ করেননি।

একই রকম খবর