মানুষের কল্যাণে কাজ করতেই রাজনীতিতে এসেছি : কাজী মিজান

মতলব উত্তর ব্যুরো ঃ চাদঁপুর মতলব উত্তর উপজেলার কৃতিসন্তান আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিল্পপতি আলহাজ্ব কাজী মিজানুর রহমান।
পুরো উপজেলায় তিনি একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত। একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে চলেছেন। দলকে চাঙ্গা করতে সকল জাতীয় কর্মসূচিতে আর্থিক সহযোগিতা করে থাকেন।

উপজেলায় একজন দানবীর হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন কাজী মিজান। ধর্মীয় উপসনালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গরীব মেধাবী ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখার খরচ ও উপযুক্ত গরীব পরিবারের মেয়েদের বিয়ের যাবতীয় খরচ বহন করে এলাকায় ইতিমধ্যে সুনাম কুড়িয়েছেন।

করোনা ভাইরাসের ফলে পুরো বিশ্ব যখন স্তব্দ। উৎপাদনমুখী সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কর্মহীন হয়ে পড়ে দেশের সিংহভাগ মানুষ, ঠিক তখন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল আমিন রুহুলের নির্দেশে এ সকল কর্মহীন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ দু’ উপজেলায় বেড়ি বাঁধ বেস্টিত ও দুর্গম চরাঞ্চলে কর্মহীন ১০ সহস্রাধিক পরিবারকে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২ সহস্রাধিক থ্রি-পিছ, শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করেন।

এলাকাবাসী জানান, অসহায়, অবহেলিত হতদরিদ্র মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন কাজী মিজান।

সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে নেই কোন অহংকার।

দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে প্রিয়। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। বয়সে তরুন হলেও তিনি মনোবল হারাননি। এ সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দরা জানান, পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী ছোট বেলা থেকেই একজন সহজ-সরল-সৎ মনের অধিকারী দানশীল ও মেধাবী মানুষ মিজান। সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং উদীয়মান নেতা হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

শুধু তাই নয়, বৃহত্তর মতলবকে মেঘনা নদীর গ্রাস থেকে রক্ষার লক্ষ্যে স্থানীয় সাংসদ এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুলের কাছ থেকে ডিও লেটার নিয়ে নিজে (কাজী মিজানুর রহমান) বাদী হয়ে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে মাহমান্য হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের পরিপেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট ২৩ জুন মঙ্গলবার মতলব উত্তরের সীমা রেখার মধ্যে ১৯ টি মৌজায় বালু উত্তোলন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সবশেষে ৭নং মোহনপুর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড়ে বাহেরচর গ্রামে স্থায়ী ভাবে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করার অনুমোদন দিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংসদ সদস্যকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন কাজী মিজানুর রহমান।

উপরোক্ত আলোকে কাজী মিজানুর রহমান বলেন, আমার জীবনের একমাত্র কামনা সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তাই মতলবের মানুষকে ভালোবেসে বারংবার আপনাদের মাঝে ফিরে আসি। আপনাদের কল্যাণে যেমন বিগত সময় কাজ করেছি। তেমনি ‘দরিদ্র অসহায় জনতার পাশে থেকে কাজ করব’- এটাই আমার আগামী দিনের পথ চলার অঙ্গীকার। অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমার রাজনীতির আদর্শ ও লক্ষ্য।

একই রকম খবর