রাজরাজেশ্বরে গনধর্ষণের ঘটনা ৭দিনেও কেউ গ্রেফতার হয়নি !

চাঁদপুর খবর রিপোর্ট : চাঁদপুরে পদ্মা মেঘনার দুর্গম রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীরচরে আলোচিত গৃহবধূকে গনধর্ষণের ঘটনার ৭দিনেও কেউ গ্রেফতার হয়নি ।

এঘটনায় কাউকে আটক করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে । যদিও পুলিশ এ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে । কিন্তু এ মামলার কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ।

এ আলোচিত মামলায় কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানা সম্ভব হয়নি । যেহেতু ডাক্তারী পরীক্ষায় গণর্ধষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি ,তাই এ ঘটনাটি এখনও রহস্যময় ।

আদৌ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কিনা । নাকি সাবোটাজ । পুলিশ এ ঘটনার রহস্য উৎঘাটন করতে পানি । এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি তদন্ত দৈনিক চাঁদপুর খবরকে জানান, রাজরাজেশ্বরে প্রচুর ভাংগন শুরু হয়েছে । ওই এলাকার মানুষ নিরাপদে আবাসিকের জন্য ছুটছে । তারপরও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে ।

তিনি জানান, অভিযুক্ত আসামি ফোরকান গাজীর ছেলে ফিরোজ (২২), মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে মোস্তফা (২১), সফিক প্রধানিয়ার ছেলে সবুজ (২৪) এবং বুদাই গাজীর ছেলে বাবু (২৩) কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরো দুজনকেও খোঁজা হচ্ছে। আসামীদের ধরতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছি । আশা করছি যে কোন মুহুর্তে আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে ।

চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানের জানান, চরের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে অস্থায়ী একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। মডেল থানার ইন্সেপেক্টর মোরশেদুল আলম ভূইয়ার নেতৃত্বে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় কাজ করছে ।

মেডিকেল রিপোর্টে গৃহবধুর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি । তাই ঘটনাটি তদন্ত কার্যক্রমে খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে । এ ঘটনায় যারাই জড়িত তারা ছাড় পাবে না । ঘটনাটি আমি নিজে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি । স্থানীয়রা জানান, লক্ষ্মীরচরে গত কিছু দিন ধরে গাজী ও বকাউল গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপাত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং লুটপাট চলছে।

এর মধ্যে এই দুই পক্ষের মারামারিতে গাজী বংশের লোকমান হোসেন মারা যান। আর সেই দ্বন্দ্বের প্রতিশোধ একের পর কে ঘটনা ঘটছে ।একে অপরকে ঘায়েল করতে নানা ঘটনা ঘটাচ্ছে ।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার ভোররাতে একদল দুর্বৃত্ত জেলে পরিবারের এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এর আগে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। পরে গৃহবধূর স্বামীর গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে একেক করে ছয়জন ধর্ষণ করে। পরে এই ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো দুজনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি মামলা করেন ঘটনার শিকার গৃহবধূ।মামলা নং ৩০ তাং ২৩.৬.২০২০ খ্রি: ।

একই রকম খবর