রাজরাজেশ্বরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার ৩নং আসামি আটক : ৪ দিনের রিমান্ডে

স্টাফ রিপোটার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীর চরে স্বামীর গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গৃহবধূকে পালাক্রমে গণধর্ষণ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৩নং আসামীকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি গতকাল শুক্রবার সদর সাকেল প্রথমে তার সরকারি ফেসবুক আইডিতে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ।

আটককৃত আসামিকে আদালতে পাঠানোর পর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। তবে এ মামলার আটককৃত আসামীদের নাম প্রকাশ করছে পুলিশ অপরাগতা প্রকাশ করেছে ।দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে খোদ চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও সদর সাকেল জাহেদ পারভেজ চৌধুরী আটককৃত আসামীদের নাম প্রকাশে অপরাগতা প্রকাশ করেছে । তাই এনিয়ে ধম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে । পুলিশের এই লুকোচুরির কারণ পরিস্কার নয় । কেন তথ্য গোপন করছে তাও পরিস্কার নয় ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি তদন্ত হারুনুর রশিদ আটক আসামিকে থানায় রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেন।

তবে পুলিশ মামলার তদন্ত স্বার্থে আটক আসামির নাম সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেননি।
ওসি তদন্ত হারুনুর রশীদ জানান, গণধর্ষণ মামলার সাথে জড়িত একজন আসামীকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে।

খুব তাড়াতাড়ি এই মামলার অন্য জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে এবং চাঞ্চল্যকর অর্থ সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
জানা গেছে ,পুলিশ এই গত ৯দিনেও মামলায় এজহারভুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হননি । গতকাল শুক্রবার মামলার ৩নং আসামীকে আটক করলো ।

উল্লেখ্য, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের লক্ষ্মীর চরে গভীর রাতে কৃষক আব্বাস বকাউলের ঘরের দরজা ভেঙে ৭/৮ জন দুর্বৃত্ত ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে।

এসময় গৃহবধূর স্বামী আব্বাস বকাউল এর গলায় দেশীয় অস্ত্র রাম দা ঠেকিয়ে পাশের রুমে তার স্ত্রীকে নিয়ে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।

এই লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ধর্ষিতা গৃহবধূর স্বামী আব্বাস বকাউল জানায়, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আহসানুল্লাহ মিজির ছেলে আসমত আলী মিজি, ভুদাই গাজীর ছেলে বাবুল গাজী, শরফত আলী গাজীর ছেলে ফয়সাল গাজী, রুলামিন মিজি সহ ৭/৮জন মুখোশ পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে।

এ সময় তারা গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্ত্রীকে পাশের ঘরে জোরপূর্বক নিয়ে একের পর এক ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় পুরো পরিবার নিয়ে ঢুকছি যেকোনো সময় আবারও এই ধর্ষণকারীরা এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এই ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

একই রকম খবর