চাঁদপুরে রেদওয়ান খান বোরহানের উঠান বৈঠকে

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান চাঁদপুর পুরাণবাজার হরিসভা প্রাঙ্গনে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ওই দিন তিনি জামতলা এলাকায় উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার বেলা ১২টায় শহরের জামতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে উঠান বৈঠকে মিলিত হন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের পৃথিবীতে যা সৃষ্টি হয়েছে তার অর্ধেক করেছে নারী। চাঁদপুর আমার মা, চাঁদপুর আমার উন্নয়ন, এই আমার প্রতিশ্রুতি।

পুরাণবাজার এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। তা দেখার জন্যই চাঁদপুরে ছুটে এসেছি। অলি আওলিয়ার কৃপা আছে বলেই আমরা নদীর উপর বাস করছি। নদী ভাঙ্গনের কারণে চাঁদপুরের প্রায় ৩০ হাজার লোক ঢাকায় বসবাস করে। আমরা যদি কিছু চাইতে হয় তাহলে আল্লাহর দরবারেই চাইতে হবে। মানুষের জন্য কিছু করতে হলেও আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করতে হয়। ২০০৪ সালে আমি প্রথম হজব্রত পালন করি। সেই থেকে এখনো আমার এই দিনটি পালন করার মহান আল্লাহ তৌফিক দান করেছেন। আমি কোন খারাপ বা অন্যায় কাজের সাথে সম্পৃক্ত নই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি একজন আওয়ামীলীগের নঘন্য কর্মী হয়ে আপনাদের সেবা করার চেষ্টা করছি। আপনারাই প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করবেন। নৌকা প্রতীককে যদি ডিসেম্বরে ১১তম জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী করতে পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী হয়ে শেখ হাসিনা আপনাদের উন্নয়নে কাজ করতে পারবে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, ৫ বছর পর পর নির্বাচন হয়ে থাকে। নির্বাচনে প্রার্থরিা আপনাদের এলাকায় এসেছে। আমরাও আজ আমাদের পছন্দের প্রার্থী আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান কে আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি। তিনি মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, এতিমখানা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনেক অনুদান দিয়েছেন। অসহায় মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। এখন সেই ব্যক্তি নৌকা মার্কার সমর্থন পেতে আপনাদের দোয়া নিতে এসেছি। তিনি নির্বাচিত হলে এই এলাকারই উন্নয়ন হবে। রেদওয়ান খান বোরহান গণমানুষ ও মাটির নেতা। তিনি আপনাদের সেবায় আরও বেশি এগিয়ে আসবেন। তিনি চাঁদপুরকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্ন পূরণে তাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। বক্তারা আরও বলেন, ২০১৬ সালে ১৮ হাজার ৫শ হাজী হজ্ব করতে যেতে পারছিল না। তখন বোরহান খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সৌদি রাজ পরিবারের সাথে ২৫ দিন থেকে বৈঠক করে হাজীদেরকে হজ্জ করার সুযোগ দিয়েচিলেন। এমন ব্যক্তিকে আমরা নৌকা মার্কার প্রতিক নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতে চাই। এ সময় স্থাণীয় হাফেজ খানের সভাপতিত্বে ও শাহমোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সামছুজ্জামান এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজারবাগ পুলিশ লাইন জামে মসজিদের খতিব ও গাছতলা দরবার শরিফের পীর সাহেব আল্লামা খাজা আরিফুর রহমান। খাজা রেজওয়ান খান তরিকত ফেডারেশনের হাফেজ মিজানুর রহমান প্রমুখ। পরে তিনি পুরাণবাজার হরিসভা সংলগ্ন মেঘনা নদীর ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে নদী ভাঙ্গনের শিকার বেশ কয়েকটি পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা যুবলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল হোসেন পাটওয়ারী, হাইমচর উপজেলা মৎস্যজীবীলীগের মাসুদুজ্জামান উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান খান, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রোকসানা বেগম, সদর থানা মৎস্যজীবীলীগের সভাপতি রাজু বরকন্দাজ। আরও উপস্থিত ছিলেন শরীফ বেপারী, কবির খান, রানা বেপারী, যুবলীগ নেতা টিপু বেপারী, শাহাদাত হোসেন মৃধা, কামরুজ্জামান ভূইয়া, জাকির হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান পাটওয়ারী, জগন্নাথ মন্দিরের অধ্যক্ষ বিশাল গোবিন্দ দাসাদীকারী, পুরাণবাজার জন্মাষ্টমী উ্দ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. সহদেব দেবনাথ প্রমুখ। সবশেষে তিনি গাছতলা দরবার শরীফে দোয়া ও মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

একই রকম খবর

Leave a Comment