চাঁদপুর আদালতে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলনের জামিন আবারও না-মঞ্জুর

স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলন গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে পর্যায়ক্রমে ১৭টি মামলার শুনানি হয়। কিন্তু সবগুলো মামলা শুনানি শেষে বিচারকগণ আবারও তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদের্শ দেন। মিলনের বিরুদ্ধে ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি, জুতা, ঘড়ি চুরি, ছিনতাইসহ চাঁদপুরের আদালতে মোট ২৬টি মামলা চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ ২০০৯ সালের নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন নির্দিষ্ট সময়ে দাখিল না করা সংক্রান্ত মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিউল আজমের আদালতে আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে এ মামলার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে সকাল ১১টায় চাঁদপুর জেলা কারাগার থেকে মিলনকে আদালতে হাজির করা হয়।
মিলনের আইনজীবী কামরুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন নির্দিষ্ট সময়ে দাখিল না করায় ২০০৯ সালে সাবেক জেলা নির্বাচন অফিসার মেজবা উদ্দিন বাদী হয়ে জনপ্রতিনিধি অধ্যাদেশ ধারায় চাঁদপুর সদর মডেল থানায় এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। সে মামলায় মিলনকে আবারো জামিন নামঞ্জুর করায় সে জেল হাজতে যেতে হয়েছে।

এর আগে সোমবার (২৬ নভেম্বর) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. সরওয়ার আলম এর আদালতে ১৪টি মামলায় জামিনের আবেদন করে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত সবগুলো মামলায় জামিন না মঞ্জুর করেন।

এছাড়াও একই দিনে আরো ২টি মামলায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ কায়সার মোশারফ ইউসুফ এর আদালতে শুনানি হয়। এ দু’টি মামলাও শুনানি শেষে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করেন।

বিএনপির এ নেতা উচ্চ শিক্ষার জন্য দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় আদালতে হাজিরা দিতে পারেননি। এ কারণে সবগুলো মামলাতে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) ভোরে তাকে চট্টগ্রামের চকবাজার চট্টেশ্বরী এলাকায় আত্মীয় এর বাসায় অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেন।

একই রকম খবর

Leave a Comment