চাঁদপুর সিআইপি বেড়িবাধের সম্পত্তি দখল করে ভবন নির্মাণ

স্টাফ রিপোর্টার : এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও সংঘব্ধ চক্র সদর উপজেলার চাঁদপুর-চান্দ্রা সড়কের চাঁদপুর সেচ প্রকল্প (সিআইপি বেড়িবাধ) এর জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে পাকা ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছেন অহরহ। কিন্তু এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নিয়ে নিরব থাকতে দেখা যায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে। এর ফলে সড়ক সুরু হয়ে যাচ্ছে এবং যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না কর্তারা। প্রশাসনিক নিয়ম কানুনের কথা বলে আসছেন দীর্ঘদিন।

সম্প্রতি দেখাগেছে, বাগাদী চৌরাস্তা মোড় হতে শুরু করে নানুপুর, সুইচগেট, পশ্চিম সকদি, সাহেব বাজার, মমিনপুর চান্দ্রা চৌরাস্তা এবং বাগাদী চৌরাস্তা থেকে শুরু করে ঢালীর ঘাট, রঘুনাথপুর, দোকানঘর, বহরিয়া, ল²ীপুর, হরিণা, চান্দ্রা চৌরাস্তা সহ সড়কের বিভিন্নস্থানে একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা।

এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন সিআইপি বেড়িবাধের আভ্যন্তরে বিভিন্ন খালের পাশেও গড়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে অনেকে ভুয়া লীজের কাগজ দেখিয়ে স্থানীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়ার অভিযোগও দীর্ঘদিনের।

এসব বিষয়ে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন গুরত্ব না থাকায় ওই সকল এলাকার কিছু প্রভাবশালী ও মুখশধারী লোক প্রশানকে তোয়াক্কা না করে তারা তাদের খাম খেয়ালী মতো ওয়াপদা রাস্তার পাশে একের পর এক পাকা ভবন ও দোকানপাট নির্মাণ করছেন।

গত কয়েক মাস ধরে চাঁদপুর-চান্দ্রা সড়কে ওয়াপদা রাস্তার পাশে কতিপয় ব্যাক্তিরা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে কোন কিছু না জানিয়ে কিংবা কোন অনুমতি না নিয়েই খুব মজবুত করে রড সিমেন্ট দিয়ে পাকা দোকান পাট উত্তোলন করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড সারাদেশে তাদের সম্পত্তি ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সেচ খাল লীজ দেয়া বন্ধ রেখেছেন। ২০১৪ সাল থেকে এ লীজ বন্ধ রয়েছে। পুনরায় সরকারের পক্ষ থেকে লীজ দেয়ার আদেশ দেয়া হলে তাদের বিভাগের নিয়মানুযায়ী লীজ নিতে পারবেন স্থানীয়রা।

তবে অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুরের কিছু অসাধু কর্মচারী এসব ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানকে একাধিক বার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এরপূর্বে যখন চাঁদপুর-হরিণা সড়কের ওয়াপদার জায়গা দখলের বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, পাকা দোকান স্থাপন উত্তোলনের বিষয়টি আমরা জেনেছি এখন আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

তিনি আরো জানান, এর আগে এসব বিষয়ে উচ্ছেদ অভিযানের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর বেশ কয়েকবার আবেদন করার পর ম্যাজিস্ট্রেট ও নিয়োগ দেয়া হয়েছে কিন্তু অনিবার্য কারন বশত তা আজো কার্যকর হচ্ছেনা।

একই রকম খবর

Leave a Comment